দেশে করোনায় চিকিৎসক মৃত্যুতে এগিয়ে দিল্লি-বিহার

দেশে করোনায় চিকিৎসক মৃত্যুতে এগিয়ে দিল্লি-বিহার
দেশে করোনায় চিকিৎসক মৃত্যুতে এগিয়ে দিল্লি-বিহার

অত্যন্ত প্রাণঘাতী কোভিড-১৯ মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউ ভারতে কেড়ে নিয়েছে ৫৯৪ জন চিকিত্‍সকের প্রাণ। শুধুমাত্র দিল্লিতেই প্রাণ হারিয়েছেন ১০৭ জন চিকিত্‍সক, বিহারে মৃত্যু হয়েছে ৯৬ জন চিকিত্‍সকের, পশ্চিমবঙ্গে মৃত্যু হয়েছে ২৫ জন চিকিত্‍সকের। ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (আইএমএ) জানিয়েছে, কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ে ভারতে মোট ৫৯৪ জন চিকিত্‍সকের মৃত্যু হয়েছে। সবথেকে বেশি চিকিত্‍সকের মৃত্যু হয়েছে দিল্লি ও বিহারে।

ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (আইএমএ) জানিয়েছে, অন্ধ্রপ্রদেশে মৃত্যু হয়েছে ৩২ জন চিকিত্‍সকের, অসমে ৮ জন, বিহারে ৯৬ জন চিকিত্‍সক প্রাণ হারিয়েছেন, ছত্তিশগড়ে ৩, দিল্লিতে ১০৭, গুজরাটে ৩১, গোয়াতে ২, হরিয়ানায় ৩, জম্মু-কাশ্মীর ৩, ঝাড়খণ্ড ৩৯, কর্ণাটক ৮, কেরল ৫, মধ্যপ্রদেশ ১৬, মহারাষ্ট্র ১৭, মণিপুর ৫, ওডিশা ২২, পুদুচেরি এক, পঞ্জাব ৩, রাজস্থান ৪৩, তামিলনাড়ু ২১, তেলেঙ্গানা ৩২, ত্রিপুরা ২, উত্তর প্রদেশ ৬৭, উত্তরাখণ্ড ২, পশ্চিমবঙ্গ ২৫, অজানা এক।

এদিকে, রাজ্যের স্বাস্থ্যসফতর এক নির্দেশিকায় চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীদের কাজের সময় সীমা কমিয়েছে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, করোনা চিকিৎসায় কাজের সময় ও ছুটির ভারসাম্য থাকা জরুরি। ৫ দিন কাজ করার পর ২ থেকে ৩ দিন ছুটি দিতে হবে। পাশাপাশি আরও জানানো হয়েছে, দিনের বেলার শিফটে ৮ ঘণ্টার বেশি কাজ করবেন না ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীরা। রাতের শিফটে সেই সময় থাকবে ৬-৭ ঘণ্টা । মাঝে এক ঘণ্টা অন্য কেউ দায়িত্ব সামলাবেন। আর রাত-সহ ৫টি শিফটে কাজ করলে ২ থেকে ৩ দিন ছুটি দিতে হবে। ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে নতুন আদেশনামা সব সরকারি কোভিড ও সারি হাসপাতালের সুপার ও প্রিন্সিপালকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।