অবৈধ বন্দুক বিক্রির অসাধু ব্যবসার সঙ্গে জড়িত দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার, দিল্লি এনসিআরএ চাঞ্চল্য

অবৈধ বন্দুক বিক্রির অসাধু ব্যবসার সঙ্গে জড়িত দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার, দিল্লি এনসিআরএ চাঞ্চল্য
অবৈধ বন্দুক বিক্রির অসাধু ব্যবসার সঙ্গে জড়িত দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার, দিল্লি এনসিআরএ চাঞ্চল্য

বংনিউজ২৪X৭ ডেস্কঃ মুঙ্গেরের কারখানায় তৈরী বন্দুক দামী হওয়ায়, খাণ্ডয়াতে তৈরী অবৈধ বন্দুক সস্তায় বিকোচ্ছে দিল্লির এন সি আর এলাকায়। সিঙ্গেল শট আগ্নেয়াস্ত্রের দাম সাধারনতঃ ৯ থেকে ১২ হাজার টাকার হয়, বন্দুকের মান এবং তৈরী করার পদ্ধতির ভিত্তিতে। ম্যাগাজিন পাওয়া যাবে ১৫০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে। প্রায় অটোমেটিক পিস্তলের জন্য খরচ করতে হবে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা।

বন্দুক বিক্রির এই অসাধু ব্যবসার সঙ্গে জড়িত চক্রের দুই কর্মীকে গ্রেফ্তার করল দিল্লি পুলিশে। তারা জেরায় স্বীকার করেছে, ৪০০ টি পিস্তল এবং ১০০০ কার্তুজ শেষ তিন বছরে তারা যোগান দিয়েছে ক্রেতাদের। মঙ্গলবার তাদের ১০০ টি কার্তুজ এবং ১০ টি আগ্নেয়াস্ত্রের সঙ্গে পাকড়াও করা হয়। ওই বন্দুক আর কার্তুজগুলি মধ্যপ্রদেশ থেকে আমদানি করা হয়েছে এবং দিল্লি এন সি আর এর অপরাধীদের পাঠানো হয়েছে।

দিল্লি পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং পাকড়াও করার সব মিলিয়ে ১৪৪১ টি মামলা ১৫ জুলাই, ২০২০ পর্যন্ত দায়ের করা হয়েছে। ২০১৯ এ এই বিভাগে মামলার সংখ্যা ছিল ৩০৯১। লকডাউন শুরু হওয়ার পর থেকে ১৬৮২ জন ব্যক্তিকে এইধরনের ব্যবসা বা আমদানি করার অপরাধে গ্রেফ্তার করা হয়েছে। সবমিলিয়ে উদ্ধার করা হয়েছে ২৭৬৫ আগ্নেয়াস্ত্র।

আলিগড়ের বাসিন্দা রাজা গৌতম এবং রাজেশ কে ১০ টি আগ্নেয়াস্ত্র, যার মধ্যে ৪ টি প্রায় অটোমেটিক পিস্তল, ৬ পিস্তল, ১০০ কার্তুজের মধ্যে .৩২ এর ৮০ টি এবং .৩১৫ এর ২০ টি কার্তুজ ছিল। ইন্দ্রপ্রস্থ বাস স্ট্যান্ড থেকে এই দুই ব্যক্তিকে পাকড়াও করা হয়েছে।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.