দুঃখজনক! মৃত্যু নিয়ে রাজনীতির বিরোধিতা করছি! শীতলকুচি কান্ডে সরব দেব

দুঃখজনক! মৃত্যু নিয়ে রাজনীতির বিরোধিতা করছি! শীতলকুচি কান্ডে সরব দেব
দুঃখজনক! মৃত্যু নিয়ে রাজনীতির বিরোধিতা করছি! শীতলকুচি কান্ডে সরব দেব

বংনিউজ২৪x৭ ডেস্কঃ রাজ্যে শুরু হয়ে গেছে ভোট যুদ্ধ। সম্পন্ন হয়েছে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ দফার ভোট প্রক্রিয়া। বাকি রইলো আর ৪ দফার ভোট। রাজ্যের শাসক দলে কে আধিপত্ত বিস্তার করবে তা নিয়ে চলছে রাজনৈতিক বিরোধ। অন্যদিকে নির্বাচন ঘিরে উত্তপ্ত রাজ্য-রাজনীতি। উল্লেখ্য চতুর্থ দফার ভোটে সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে অশান্তি এবং রক্তপাতের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। তারমধ্যে অন্যতম শীতলকুচির মর্মান্তিক ঘটনা। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি সহ অনেকেই। আর এরই মাঝে এবার শীতলকুচি কান্ডে সরব হলেন ঘাটালের সাংসদ দেব।

প্রসঙ্গত শীতলকুচি কান্ডে উত্তপ্ত রাজ্য-রাজনীতি। আর যখন এই মর্মান্তিক ঘটনা নিয়ে সবাই নিন্দা করছেন তারই মাঝে বরানগরের প্রচার সভা থেকে হুঙ্কার দেন দিলীপ ঘোষ। বলেন, ‘বাড়াবাড়ি করলে জায়গায় জায়গায় শীতলকুচি হবে’! তাঁর এহেন মন্তব্যে তীব্র নিন্দা জানায় তৃনমুল-কংগ্রেস, সিপিএপ সহ রাজনৈতিক মহল। অন্যদিকে রাহুল সিনহা বলেন, ৪ জন নয়, ৮ জনকে গুলি করে মারা উচিত ছিল! আর তার এই মন্তব্যেও তীব্র নিন্দা জানায় সকলে। আর এরই মাঝে কামারহাটিতে মদন মিত্রের সমর্থনে প্রচার করতে এসে শীতলকুচি কান্ড নিয়ে মুখ খুললেন তৃণমূলের তারকা সাংসদ দেব।

তিনি বলেন, অত্য়ন্ত দুঃখজনক ঘটনা! এটা নিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয় বলে জানান তিনি। অন্যদিকে দিলীপ ঘোষের মন্তব্যকেও তীব্র নিন্দা করেন তিনি। বলেন, পাড়ায় পাড়ায় শীতলকুচি হবে এই মন্তব্যে বিরোধিতা জানান তিনি। সাধারণ মানুষের মৃত্যু নিয়ে উৎসব বন্ধ করা বন্ধ হোক এমনটাই বলেন তিনি। তাঁর কথায় সে রাজনৈতিক দলই এই কাজ করুক না কেন তাঁর দায় নিতে হবে তাদেরই। এই মর্মান্তিক ঘটনার সঠিক তদন্তের দাবি জানান দেব।

প্রসঙ্গত চতুর্থ দফার ভোটে সবথেকে মর্মান্তিক ঘটনা হল কোচবিহারের শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে ৪ জন যুবকের মৃত্যু। বিনা প্ররোচনায় গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এই ঘটনায় মৃত সকলেই তাঁদের দলের সক্রিয় কর্মী। এই ঘটনার রিপোর্ট তলব করে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকেও এই ঘটনার কথা স্বীকার করে বলা হয়েছে যে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতেই ওই যুবকদের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে আরও কয়েকজন।

তবে এরই সাথে নির্বাচন কমিশন জানান, জওয়ানরা নিজেদের আত্মরক্ষার জন্য গুলি চালিয়েছিলেন। তারই সাথে নির্দেশিকা জারি করে কমিশন জানিয়ে দেয়, কোচবিহারে ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হয়ে গেছে। আগামী ৭২ ঘন্টা ওই জেলার ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে জাতীয় বা আঞ্চলিক বা কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীদের ঢুকতে দেওয়া হবে না। নির্বাচন ঘিরে রনক্ষেত্রের মূর্তি ধারণ করেছে বাংলা। শেষ পর্যন্ত কে হাসবে শেষ হাসি তা জানা যাবে ২রা মার্চ। তাঁর অপেক্ষায় রাজনৈতিক মহল সহ জনসাধারন।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.