কন্যাদান এবং বিদাই-তে না! মহিলা পুরোহিতের দায়িত্বে বৈদিক পদ্ধতিতে বিয়ে সারলেন দিয়া মির্জা

কন্যাদান এবং বিদাই-তে না! মহিলা পুরোহিতের দায়িত্বে বৈদিক পদ্ধতিতে বিয়ে সারলেন দিয়া মির্জা / Image Source- Instagrammed By @diamirzaofficial
কন্যাদান এবং বিদাই-তে না! মহিলা পুরোহিতের দায়িত্বে বৈদিক পদ্ধতিতে বিয়ে সারলেন দিয়া মির্জা / Image Source- Instagrammed By @diamirzaofficial

দ্বিতীয়বারের জন্য বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেন অভিনেত্রী দিয়া মির্জা। পাত্র, দীর্ঘদিনের প্রেমিক বৈভব রেখি। গত সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি নিজের পরিবার ও কিছু ঘনিষ্ঠজনের সান্নিধ্যে বিয়ে সারলেন দু’জনে। তবে সেখানেই দারুণ এক চমক নিয়ে হাজির হয়েছিলেন তাঁরা। চিরাচরিত প্রথা নয়, বরং সম্পূর্ণ বৈদিক পদ্ধতিতে সম্পন্ন হল সেই বিয়ে৷ যেখানে না ছিল কন্যাদানের নিয়ম, না বিদাইয়ের প্রথা!

সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে বিয়ের ছবি পোস্ট করেছেন দিয়া। সেখানেই তিনি লেখেন, কন্যাদান এবং বিদাইয়ের প্রথাকে বর্জন করেছেন তাঁরা। তিনি আরও জানান, “পছন্দ থেকেই পরিবর্তন শুরু হয়। একজন মহিলা পুরোহিত দ্বারা পরিচালিত বৈদিক অনুষ্ঠানটিই আমাদের কাছে এক সর্বোচ্চ মুহূর্ত ছিল!” সেই সঙ্গে তিনি এও বলেন, “সময় এসেছে মহিলারা তাদের নিজস্ব এজেন্সির মালিকানা পান।” লেখার শেষে #জেনারেশনএকুয়ালিটি নামে একটি হ্যাশট্যাগও যুক্ত করেন তিনি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কন্যাদান হল এমন এক প্রথা, যেখানে বিয়ের পর নবপরিণীতাকে স্বামীর হাতে তুলে দিয়ে ‘দায়মুক্ত’ হন কন্যার পিতা৷ এরপর, নিজের ‘বাপের বাড়ি’ থেকে বিদায় নিয়ে নববধূকে ‘শ্বশুর বাড়ি’তে যেতে হয়। নিজের বিয়েতে এসব চিরাচরিত প্রাচীন প্রথাই ভেঙেছেন অভিনেত্রী।

দিয়ার বৈদিক বিয়ের অনুষ্ঠানটির দায়িত্বে ছিলেন মহিলা পুরোহিত শীলা আত্তা। নিজেদের পরিবার এবং ঘনিষ্ঠ কিছু বন্ধুবান্ধব ছাড়া বিশেষ কেউই ছিলেন না সেখানে। বিয়ের পর দিয়া এবং তাঁর স্বামীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চলচ্চিত্র জগতের বহু অভিনেতা-অভিনেত্রী এবং জাতিসংঘের পরিবেশ শুভেচ্ছাদূত। এছাড়াও সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠাতে থাকেন নেটিজেনরাও।

ইনস্টাগ্রামে দিয়ার পোস্টটি শেয়ার হওয়ার পর, লাইক-কমেন্ট এবং শেয়ারে ভরে ওঠে সেটি। “কন্যাদান এবং বিদাইকে অবশ্যই সমর্থন করবেন না । আপনার আরও ক্ষমতা দিয়া।”- লিখেছেন এক ব্যক্তি। আরেকজনের মন্তব্য- “কন্যাদান এবং বিদাইয়ের পক্ষে না। এটি আশ্চর্যজনক।” দিয়ার এই পদক্ষেপ যে অন্যান্য মানুষদেরও অনুপ্রেরণা যোগাবে, তাও মনে করছেন বহু নেটজনতাই।