‘কমিশন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিতিয়েই ছাড়বে’! উপনির্বাচন নিয়ে বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ

'কমিশন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিতিয়েই ছাড়বে'! উপনির্বাচন নিয়ে বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ
'কমিশন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিতিয়েই ছাড়বে'! উপনির্বাচন নিয়ে বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ

দিন কয়েক আগেই ভবানীপুরের উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর হবে ভোটগ্রহণ। ফল ঘোষণা অক্টোবরের ৩ তারিখ। এবার ওই কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে তীব্র কটাক্ষে বিঁধলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর বিস্ফোরক দাবী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেতানোর চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন।

রাজ্যে ৩০ সেপ্টেম্বর একমাত্র ভবানীপুরেই উপনির্বাচন হতে চলেছে। কিন্তু দিনহাটা, শান্তিপুর, খড়দহ ও গোসাবায় কবে উপনির্বাচন হবে, তা এখনও ঘোষণা করেনি কমিশন। এই কারণেই এখন ক্ষুব্ধ রাজ্য বিজেপি। কমিশনের এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে দলবদ্ধভাবে একমত নয় দল। যদিও ভোট প্রক্রিয়ায় অংশ নেবে বিজেপি। তবে এই ইস্যু নিয়েই এবার কোনও রকম রাখঢাক না করে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর নিশানায় এখন নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী বন্দ্যোপাধ্যায়কেও একহাত নিলেন তিনি।

এই প্রসঙ্গে সোমবার দূর্গাপুরে বিজেপির রাজ্য সভাপতির বক্তব্য, “হেরে গিয়েও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। উপনির্বাচনেও উনি আবার যে জিতবেন এর নিশ্চয়তা কোথায়?” পাশাপাশি তাঁর দাবী, “যা চলছে মনে হচ্ছে নির্বাচন কমিশন ভবানীপুর থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিতিয়েই ছাড়বে।” একইসঙ্গে এই বিষয়টি নিয়ে যে বিজেপি আদালতে যেতে পারে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। জানান, দল আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলছে। যদিও স্পষ্ট করে কিছুই খোলসা করেননি তিনি।

উপনির্বাচন নিয়ে এর আগেও অবশ্য দিলীপের রোষের মুখে পড়েছিল নির্বাচন কমিশন। ভবানীপুরে উপনির্বাচন ইস্যুতে কমিশনের কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেছিলেন, “রাজ্যে এখনও লোকাল ট্রেন চলছে না। স্কুল-কলেজ বন্ধ। অর্থাৎ করোনা এখনও যায়নি। ফলে এই মুহূর্তে রাজ্যে উপনির্বাচন করার মতো পরিবেশ নেই। কিন্তু মনে হচ্ছে নির্বাচন কমিশন কারও দ্বারা প্রভাবিত হয়ে ভোটের ঘোষণা করেছে।” এমনকি বিষয়টি নিয়ে তদন্তের দাবীও তুলেছিলেন তিনি। এবার সেই প্রসঙ্গে ফের একবার কমিশনকে কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।