মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে! ফের বিস্ফোরক মন্তব্য দিলীপ ঘোষের

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে! ফের বিস্ফোরক মন্তব্য দিলীপ ঘোষের
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে! ফের বিস্ফোরক মন্তব্য দিলীপ ঘোষের

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে, ডেড বডি নিয়ে রাজনীতি করতে চাইছে। সোমবার সল্টলেকে সেন্ট্রাল পার্কে প্রাতঃভ্রমণে গিয়ে ফের একবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে একহাত নিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।এদিন তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিধান নগর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী সব্যসাচী দত্ত।

কোচবিহারের নিহতদের জন্য কর্মীদের থেকে চাঁদা তুলে সাহায্য করবেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সে প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, “চাঁদা তোলার অভ্যাসটা রাখুন। উনি ঘোষণা করেছেন ওনার দলের কর্মী, তার দায়িত্ব। আমাদের কর্মীরা মারা গেলে আমরা পাঁচ লাখ টাকা দি এবং অন্যান্য ব্যবস্থাও করি তার পরিবারের জন্য। উনি মানুষ কে প্ররোচিত করেছেন।”

এর পরেই অভিযোগ করে রাজ্য বিজেপি সভাপতি বলেন, “এই ধরনের উত্তেজনার মধ্যে গিয়ে তারা প্রাণ হারিয়েছে। এই সমস্ত দায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। উনি মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছেন। ডেড বডি নিয়ে উনার রাজনীতি করার ইচ্ছে ছিল, সে সুযোগটা উনি এবার পাননি। নির্বাচন কমিশন খুব কড়াকড়ি ভাবে ওখানে ঢোকা বারণ করে দিয়েছে। আমার মনে হয় এই নির্বাচন যাবে আর মৃত্যু, প্রভোকেশন, ডেড বডি রাজনীতি সব বন্ধ হয়ে যাবে”।

এদিন রাজ্য পুলিশের সমালোচনা করে দিলীপ বাবু বলেন, ” এর আগে পুলিশ পার্টির অঙ্গুলিহেলনে কাজ করতো। আজ তা চলছে না। স্বতন্ত্র নির্ণয় নিয়ে কাজ করার মানসিকতা এখনও ওদের নেই। বাইরের গন্ডগোল যেগুলো পুলিশের দেখার কথা, সেগুলো পুলিশের এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে। পুলিশ আগেও নিষ্ক্রিয় ছিল। এখনো আছে। বুথ সামলাতে সেন্ট্রাল ফোর্স এসেছে, মানুষ নির্বিঘ্নে ভোট দিচ্ছে। কিন্তু সমাজের অশান্তি সেগুলো পুলিশের কাজ। বাংলা পুলিশ এখনো ঠিক করতে পারছেনা কোনদিকে যাবে।”

এদিকে, ব্যারাকপুরে বিজেপি কর্মী আহত হওয়ার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “ভোটের সবকটি দফার আগে ওরা ভয় দেখানো গুলি চালানো, মারধর করার চেষ্টা করেছে। হারতে আরম্ভ করেছে বলে ভয় দেখানো ছাড়া কোন রাস্তা নেই। যত লোক ভোট দিতে না বের হয়। নৈহাটি ব্যারাকপুর এই সমস্ত উপদ্রব এলাকা। গন্ডগোল সারাবছরই চলে। এবার সাধারন মানুষ তৈরি প্রতিরোধ করার জন্য। সেন্ট্রাল ফোর্স রয়েছে। কোন বুথে কোন গন্ডগোল করতে পারছে না। যারা এতদিন পার্টি থেকে কামিয়েছে খেয়েছে, তাদেরতো পার্টির জন্য কিছু করতে হবে। এসব লোক দেখানো ভোটে কোনো প্রভাব পড়বে না”।

অন্যদিকে, ভোটের সময় দফায় দফায় উত্তপ্ত হচ্ছে কসবা। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “কসবার যে এমএলএ তার পিছু পকেটে ভোট আছে। তার থেকে লিড নিয়ে উনি যেতেন। তার মধ্যে কিছু জায়গা আছে সেই পকেট ভোট গুলো বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন। এটা ঠিক ওখানে আমরা জিততে পারেনি। কিন্তু এবারে সাধারণ মানুষ সাহস দেখিয়ে ভোট করেছেন। কিছু বিশেষ এলাকায় এই ভয়ের পরিবেশ ছিল। কিন্তু খুব ভালো ভোট হয়েছে।”

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.