এঁদো পুকুরে ছিলেন ওখানেই চলে যান! নাম না করে প্রবীরকে খোঁচা দিলীপের

এঁদো পুকুরে ছিলেন ওখানেই চলে যান! নাম না করে প্রবীরকে খোঁচা দিলীপের
এঁদো পুকুরে ছিলেন ওখানেই চলে যান! নাম না করে প্রবীরকে খোঁচা দিলীপের

বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ভরাডুবির পর একের পর এক নেতা-নেত্রী, বিধায়করা বেসুরো হয়েছেন গেরুয়া শিবিরে। এবার বেসুরো হয়ে দলের অস্বস্তি বাড়িয়েছেন প্রবীর ঘোষাল। এমনকি তৃণমূলের মুখপত্র বিজেপির তীব্র সমালোচনা করে কড়া ভাষায় প্রতিবেদন লিখে ফেলেছেন তিনি। এর পরে তাকে তীব্র কটাক্ষ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বৃহস্পতিবার সকালে কার্যত না হামলা করে ঘোষালকে খোঁচা দিলেন দিলীপ ঘোষ।

ক্ষোভ প্রকাশ করে বুধবার প্রবীর ঘোষাল বলেন, “আমি বিজেপিতে আছি কি অবস্থায় আছি তাই জানিনা। ভোটের আগে রাজ্য কমিটির মেম্বার করেছিল। ভোটের পর রাজ্য কমিটির দুটি মিটিংয়ে আমাকে ডাকা হয়েছিল। রাজ্য অফিসে যারা হোল টাইমার তারা ফোন করে আমাকে জানায় পৌষ স্থানে মিটিং রয়েছে আমাকে আসতে। আমার মাতৃ বিয়োগ এর সময় স্বয়ং মমতা ব্যানার্জি খোঁজ খবর নিয়েছিলেন কিন্তু বিজেপির কোনো বড় মাপের নেতা একবারও ফোন করেননি, লোকাল নেতৃত্ব ছাড়া।”

এরপরেই দিলীপ ঘোষ নাম না করে তাঁকে কটাক্ষ করে বলেন, “যাদের কে নিচ্ছে না, ওখানে নো এন্ট্রি বোর্ড আছে। এধরনের কষ্টের মধ্যে আছেন তাঁরা। কোথায় যাবেন ঠিক করতে পারছেন না। কেউ বলেছিলেন আগে ভুল করেছিলাম। আবার, কেউ বলছেন এখন ভুল করছেন”।

এরপরেই বিজেপি নেতাকে খোঁচা দিয়ে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য, “কে কী ভুল করেছেন আগে ঠিক করুন। ভারতীয় জনতা পার্টি গঙ্গার মতো পবিত্র। অনেকে এসেছে সেই পবিত্রতা কে সহ্য করতে পারছে না। এঁদো পুকুরে ছিলেন ওখানেই চলে যান। আরামে থাকুন আমাদের কোনও টেনশন নেই”।

প্রসঙ্গত, ২০১৬-য় উত্তরপাড়া কেন্দ্রে জিতে তৃণমূল বিধায়ক হয়েছিলেন প্রবীর। কিন্তু একুশের বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। তবে উত্তরপাড়া আসনে বিজেপির টিকিটে দাঁড়িয়ে হেরে যান। এরপরেই প্রশ্ন উঠছে তবে এবার কি ফের তৃণমূলের ফিরতে চলেছেন প্রবীর ঘোষাল।