বাঁচার শেষ রাস্তা হিসাবে সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছে! রাজ্যকে কটাক্ষ দিলীপের

বাঁচার শেষ রাস্তা হিসাবে সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছে! রাজ্যকে কটাক্ষ দিলীপের
বাঁচার শেষ রাস্তা হিসাবে সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছে! রাজ্যকে কটাক্ষ দিলীপের

সিবিআইয়ের পক্ষে নিরপেক্ষ তদন্ত সম্ভব নয়। রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত হয়েই তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। এই অভিযোগ করে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য সরকার। রাজ্যের ভোট-পরবর্তী হিংসা মামলায় সিবিআই তদন্ত নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ হওয়ার ঘটনায় কার্যত টিপ্পনী কেটেছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর কথায়, “বাঁচার শেষ রাস্তা হিসাবে সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছে”।

ভোট-পরবর্তী হিংসা মামলায় সিবিআইকে তদন্তভার দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার ক্ষেত্রে তৈরি করা হয়েছে সিট। ইতিমধ্যেই এই তদন্তে তৎপর হয়েছে সিবিআই। রাজ্যের একাধিক জেলায় যেখান থেকে হিংসার ঘটনার খবর এসেছে এখানে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে শুরু করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। তবে সিবিআই একেবারেই নিরপেক্ষ তদন্ত করছে না এই দাবি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্যের শাসক দল।

রাজ্যের তরফে সুপ্রিম কোর্টে জানানো হয়েছে, তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে গেলে প্রতিহিংসার রাজনীতি হতে পারে। সঠিক বিচার না-ও পেতে পারে রাজ্য। যদিও শীর্ষ আদালত সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দায়ের করা মামলা এখনও সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রি বুকে নথিভুক্ত হয়নি। এদিকে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে তা আন্দাজ করেই আগে থেকেই সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল করে রেখেছিলেন মামলাকারি।

এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “তৃণমূল দাবি করেছে তাদের ১৬ জন মারা গিয়েছেন। ১৬ জন লোক মারা যাওয়া কি কম ব্যাপার। কতজন মানুষ মরলে উনি স্বীকার করবেন। আমাদের ৫০-৬০ কর্মী মারা গিয়েছেন। কোর্ট সমস্ত তথ্য দেখেছেন, কমিশনের টিম পাঠিয়েছেন। তারা দেখে তদন্ত করে রিপোর্ট দিয়েছেন। সম্পূর্ণ তদন্ত করে উপযুক্ত তদন্ত করার আদেশ দিয়েছেন যখন সেই অনুযায়ী কাজ চলছে”।

এরপরেই দিলীপ বাবুর কটাক্ষ, “যারা এতদিন বলত সিবিআই কোনো কাজেরই না, তারাই এখন সিবিআইয়ের ভয় করছে। সিবিআই এখন মাঠে ঘাটে জঙ্গলে পৌঁছে যাচ্ছে। এখন বুঝতে পারছে আর কিছু লুকিয়ে রাখা যাবে না। বাঁচার শেষ রাস্তা হিসাবে সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছে। আমার মনে হয় পাঁচজন বিচারপতি মিলে যেখানে রায় দিয়েছেন হিংসা হয়েছে তার সুবিচার হওয়া উচিত। আমার মনে হয় না আর কোনো রাস্তা বাকি আছে”।