সময় ফুরানোর আগেই সরানোর হল দিলীপ ঘোষকে! বিজেপির নতুন রাজ্য সভাপতির মুখ কে?

রাজ্য বিজেপির সভাপতি পদ থেকে সরানো হল দিলীপ ঘোষকে। তাঁর জায়গায় স্থালিভিশিক্ত করা হল বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারকে। সোমবার রাতেই বিজেপির সর্বভারতীয় মহাসচিব অরুণ সিং এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানান এমনটাই। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই দিলীপ ঘোষকে সরানো নিয়ে জল্পনা উঠেছে ইতিমধ্যেই।

কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তি

ইতিহাস ঘেঁটে দেখা গেছে, দিলীপ ঘোষ এবং সুকান্ত মজুমদার দুজনেই আরএসএস সংগঠন থেকে উঠে এসেছেন। তবে সদ্য প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বাচন ভঙ্গির জন্য বারংবার অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছে দলকে। সেখানে দাঁড়িয়ে বালুরঘাটের সাংসদের কথা যথেষ্ট মার্জিত। সেটাও মেয়াদ উত্তীর্ণের আগেই দিলীপ ঘোষকে সরিয়ে দেওয়র অন্যতম কারণ কিনা তা নিয়েও জল্পনা উঠেছে।

রাজ্য বিজেপির সভাপতি হিসেবে দিলীপ ঘোষের মেয়াদ ছিল ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত। কিন্তু, তার আগেই সরিয়ে দেওয়া হল তাঁকে। সূত্রের খবর, কাকে নতুন রাজ্য সভাপতি করা যায় তা নিয়ে দিলীর ঘোষের কাছে নামের তালিকা চেয়েছিলেন জেপি নাড্ডা। তালিকা পাঠিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। সেখানে নাম ছিল সুকান্ত মজুমদারের।

মূলত ২০২১ বঙ্গ নির্বাচনে ভরাডুবি ঘটার পরই দিলীপ বাবুকে রাজ্যের মুখ থেকে সরানোর চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছিল। যার বদলে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীত্ব পাওয়ার আশা ছিল দিলীপের। কিন্তু তাও জুটল না মেদিনীপুরের সাংসদের। যদিও তাঁকে পুরোপুরি নিরাশ করেনি দল। দিলীপ বাবুকে জাতীয় স্তরের সহ-সভাপতি করা হয়েছে।

নয়া রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার

বিজেপিতে ভাঙনের খেলা ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। তা আটকাতে এখন বদ্ধ পরিকর গেরুয়া শিবির। কিন্তু সেক্ষেত্রে এখন আর দিলীপ ঘোষের উপর ভরসা করতে পারছেন না নাড্ডা-শাহরা। তাই বালুরঘাটের সাংসদের কাঁধেই গুরুদায়িত্ব দেওয়া হল। এখন দেখার সুকান্ত মজুমদারের উপর ভরসা করে ভোটের বৈতরণী কিভাবে পার করে গেরুয়া শিবির।