মন্ত্রিত্ব হারিয়ে মুকুল রায়-তৃণমূলকে ট্যুইটারে ফলো! বাবুলকে কী বার্তা দিলেন দিলীপ?

মন্ত্রিত্ব হারিয়ে মুকুল রায়-তৃণমূলকে ট্যুইটারে ফলো! বাবুলকে কী বার্তা দিলেন দিলীপ?
মন্ত্রিত্ব হারিয়ে মুকুল রায়-তৃণমূলকে ট্যুইটারে ফলো! বাবুলকে কী বার্তা দিলেন দিলীপ?

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ মাত্র কয়েকদিন হল তিনি মন্ত্রিত্ব হারিয়েছেন। মন্ত্রিত্ব হারিয়ে ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন। রাজনীতিতে তিনি খানিক নিস্পৃহতাই দেখাচ্ছিলেন বাবুল সুপ্রিয়। এরপর হঠাৎই ট্যুইটারে তৎপরতার সঙ্গে মুকুল রায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে ফলো করতে শুরু করেন বাবুল সুপ্রিয়। ইতিমধ্যেই এই গোটা বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে। তা ভাইরালও হয়েছে ইতিমধ্যেই। আর এই ঘটনা জল্পনা বাড়িয়ে তুলেছে।

এর পাশাপাশি মন্ত্রিত্ব হারানো নিয়ে বাবুলের প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপের মন্তব্য যে প্রাক্তন মন্ত্রী মোটেই ভালো চোখে দেখেননি, তা তাঁর ফেসবুক পোস্টেই বোঝা গিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ফের বাবুল সুপ্রিয়কে নিয়ে মন্তব্য করলেন দিলীপ ঘোষ।

মঙ্গলবার আসানসোলে দলের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না বাবুল সুপ্রিয়। সেই প্রসঙ্গ টেনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, ‘সবাইকে খবর দেওয়া হয়েছে। এটা জেলার কমিটি বৈঠক। সাংসদকেও খবর দেওয়া হয়েছে। সব মিটিংয়ে উনি থাকেন না। উনি সময় মতো থাকেন।’ তিনি আরও বলেন যে, ‘মন্ত্রিত্ব থেকে মুক্তি পেয়েছে, এবার আমাদের সঙ্গেই কাজ করবেন।’ এর পাশাপাশি মুকুল রায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে টুইটারে ফলো করার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘টুইটারে ফলো করা ভালো। তবে, অন্যরকম ফলো না করাই ভালো।’

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মোদীর নতুন সম্প্রসারিত মন্ত্রিসভায় স্থান হয়নি বাবুল সুপ্রিয়র। এদিকে, মন্ত্রী পদ ছাড়ার সিদ্ধান্তে যে বাবুল সুপ্রিয় খুশি নন, তাও স্পষ্ট তাঁর সাম্প্রতিকের একাধিক পোস্টে। তাঁকে মন্ত্রিত্ব থেকে ইস্তফা দিতে বলা হয়েছিল বলেও মুখ খুলেছিলেন বাবুল। বাবুলের মন্ত্রিত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ মন্তব্য করেছিলেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে বাবুল সুপ্রিয়র ইস্তফা দেওয়ার পরই দিলীপ ঘোষ তাঁর মন্তব্যে বলেছিলেন, ‘হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছে বাবুল।’

এই মন্তব্যের পর, ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন বাবুল সুপ্রিয়। সেখানে সাংসদ লেখেন, “রাজ্য সভাপতি হিসেবে ‘মনের আনন্দে’ দিলীপদা অনেক কিছুই বলেন। আবারও বললেন, আমি শুনলাম। কিন্তু এই উক্তিটি কেন করলেন সেটা যদি এবারকার জন্য আমি ‘স্বজ্ঞানে’ বুঝেও না বুঝি তো ক্ষতি কি? এটাই আমার প্রতিক্রিয়া! আমার হাঁফ ছেড়ে বাঁচাতে দিলীপদা আনন্দ পেয়েছেন এতেই আমি আনন্দিত! উনি রাজ্য সভাপতি- সবার শ্রদ্ধার পাত্র! আমিও আন্তরিক শ্রদ্ধা জানালাম প্রিয় দিলীপদাকে!’’ এরপর ফের একবার বাবুল সুপ্রিয়কে নিয়ে এদিন মুখ খুললেন দিলীপ ঘোষ।