শ্রাবন্তীর দল ছাড়া নিয়ে মুখ খুললেন দিলীপ ঘোষ

শ্রাবন্তীর দল ছাড়া নিয়ে মুখ খুললেন দিলীপ ঘোষ
শ্রাবন্তীর দল ছাড়া নিয়ে মুখ খুললেন দিলীপ ঘোষ

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে অনেকেই বিজেপি যোগ দিয়েছিলেন। কেউ দলবদল বদল করে এসেছিলেন, কেউ আবার নতুন মুখ হিসেবে বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নিয়েছিলেন। আবার একুশের নির্বাচনের ফলাফল সামনে আসতেই, অনেকেই বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ করেছেন। সেই দলে এবার আরও একজনের নাম যোগ হল। তিনি হলেন টলি পাড়ার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। গতকালই তিনি বিজেপি ত্যাগ করছেন।

বৃহস্পতিবার অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন তিনি বিজেপি ছাড়ছেন। টুইট করে এই খবর প্রকাশ্যে আনেন তিনি। উল্লেখ্য, একুশের নির্বাচনে বিজেপিতে যোগ দিয়েই তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করতে ময়দানে নেমেছিলেন প্রার্থী হিসেবে। বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র  থেকে বিজেপি প্রার্থী হিসাবে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন নায়িকা। কিন্তু জিততে পারেননি। তাঁর কেন্দ্রে বিপক্ষে ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মতো হেভিওয়েট তৃণমূল নেতা। এক সময় তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ছিলেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী। সেই প্রসঙ্গে এদিন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ছবিতে কাজের সুযোগ হচ্ছে না। তাই ওঁনারা চলে যাচ্ছেন। এর পাশাপাশি তৃণমূলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেনি তিনি। সঙ্গে এটাও হুঁশিয়ারির সুরে মনে করিয়ে দেন যে, দল বিরোধী মন্তব্য করলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এদিন সকালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুরজিৎ সাহা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘কেউ কেউ পদে থেকে দায়িত্ব নিয়ে দলবিরোধী মন্তব্য করেন, এতে বেশি ক্ষতি হয়। অনেকে অনেক কিছু বলছেন। পদাধিকারীর যদি এমন কাজ করেন তাহলে বেশি ক্ষতি হয় এবং সংগঠনেরও ক্ষতি হয়। পদাধিকারী যদি এমন কথা বলে থাকে, তাঁকে পদ থেকে মুক্ত করে দেওয়া হবে। দল যা সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটা ঠিক।’

এর পাশাপাশি অভিনেত্রী শ্রাবন্তী প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘রাজনীতিতে এমন লোককে রাখা হয় তাঁকে চেনে বলে। জেতার সম্ভাবনা বেশি বলে। দল ভেবেছে এতে লাভ হবে। এমন সব দলই করে। তৃণমূল করেছে। অনেকে জিতেছেন। সিনেমার তারকা বলেই তাঁকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। কারণ তাঁদের জনপ্রিয়তা আছে। আমাদের এর আগে বাপ্পি লাহিড়ী ছিলেন। বাবুল সুপ্রিয় এসেছিলেন, তিনি ২ বার সাংসদ হয়েছেন। লকেট চট্টোপাধ্যায়ও তো সিনেমায় ছিলেন। তিনি আমাদের দলে এসেছেন। লড়াই করেছেন। দল তাঁকে গুরুত্ব দিয়েছে। যাঁরা রাজনীতিই বোঝেন না, তাঁরা আজ হতাশ হচ্ছেন। যেসব সেলেবরা চলে যাচ্ছেন একটাই কারণ তাঁদের কোনও ছবিতে অভিনয় করতে দেওয়া হচ্ছে না। তাই তাঁরা চলে যাচ্ছেন।’

এছাড়াও তৃণমূলের সায়নী ঘোষ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘উনি নিজেকে কী মনে করেন! আমরা ৪-৫ জন মহিলাকে রাজ্যপাল করেছি। দেশের প্রথম বিদেশমন্ত্রী আমরা একজন মহিলাকে দায়িত্ব দিয়েছিলাম। তৃণমূলে একজনই পুরুষ, বাকি সবাই মহিলা।’