নির্বাচনকালে মুখ্যমন্ত্রীকে গৃহবন্দি রাখা উচিত! বিস্ফোরক দাবি দিলীপ ঘোষের

নির্বাচনকালে মুখ্যমন্ত্রীকে গৃহবন্দি রাখা উচিত! বিস্ফোরক দাবি দিলীপ ঘোষের
নির্বাচনকালে মুখ্যমন্ত্রীকে গৃহবন্দি রাখা উচিত! বিস্ফোরক দাবি দিলীপ ঘোষের

চতুর্থ দফার ভোটে সারাদিন উত্তপ্ত রইল শীতলকুচির ঘটনায়। শনিবার শীতলকুচি ঘটনার প্রেক্ষিতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানান, “মুখ্যমন্ত্রীকে গৃহবন্দি করে রাখা দরকার। তিনি মানুষকে উস্কানি দিচ্ছেন”।

এদিন শীতলকুচি ঘটনার পর নির্বাচন কমিশনে এসে দফায় দফায় অভিযোগ জানিয়েছে তৃণমূল-বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিলিগুড়ি থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগ দাবি করেছেন। এর পরেই স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, “নির্বাচন চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রীকে গৃহবন্দি করে রাখা উচিত। হারের ভয়ে মানুষকে প্ররোচিত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা যেখানে হেরে যাবেন বলে মনে করছেন, সেখানেই উস্কানি দিয়ে ঝামেলা সৃষ্টি করছেন।”পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে তার নিজের কাজ করতে মুখ্যমন্ত্রী বাধা দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন দীলিপবাবু।

দীলিপবাবুর আরও দাবি, মানুষ সুস্থ ভাবে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে নিজের ভোট নিজে দিচ্ছেন এই প্রথম আর সেই কারণেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষকে উস্কানি দিচ্ছেন।

প্রসঙ্গত এদিন শীতলকুচির ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর প্ররোচনা মূলক মন্তব্য দায়ী বলে কমিশনে অভিযোগ করে বিজেপি। আজ কলকাতায় মুখ্য নির্বচনী আধিকারিকের কাছে এই অভিযোগ জানাতে আসে বিজেপির পক্ষ থেকে সাংসদ স্বপন দাস গুপ্ত, শিশির বাজোরিযা, ধর্মেন্দ্র প্রধান, প্রমুখ। স্বপন বাবু অভিযোগ করে বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী প্ররোচনা মূলক ভাষণ সুষ্ঠু অবাধ ও নিরপেক্ষ ও হিংসা মুক্ত নির্বাচন কে ব্যাহত করছে। আর সে কারণেই এই ঘটনা। তবে যা ঘটেছে দুর্ভাগ্যজনক”।

নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া বিজেপি প্রতিনিধি দলের চিঠি