‘খাবারে কিছু মিশিয়ে দেওয়া হতে পারে,’ তাই খান বাড়ির খাবার,’ বুথ এজেন্টদের প্রতি বার্তা তৃণমূল সুপ্রিমোর

‘খাবারে কিছু মিশিয়ে দেওয়া হতে পারে,’ তাই খান বাড়ির খাবার,’ বুথ এজেন্টদের প্রতি বার্তা তৃণমূল সুপ্রিমোর
‘খাবারে কিছু মিশিয়ে দেওয়া হতে পারে,’ তাই খান বাড়ির খাবার,’ বুথ এজেন্টদের প্রতি বার্তা তৃণমূল সুপ্রিমোর

বংনিউজ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ রাত পোহালেই প্রথম দফার ভোট বঙ্গে। তাই অপেক্ষা আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার। এবারে বাংলার একুশের বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ৮ দফায়। তাই সময় গোনা শুরু হয়ে গেছে।

সকাল হলেই শুরু হবে সেই প্রতীক্ষিত মহা ভোটযুদ্ধ। কাল প্রথম দফায় ৩০ টি কেন্দ্রের ভোটাররা তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। সকাল থেকেই প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। ভোটকর্মীরা যে যার কেন্দ্রে রওনাও দিয়ে দিয়েছেন। তৎপর কেন্দ্রীয় নিরাপত্তাবাহিনীও। ২৯৪ টি কেন্দ্রের মধ্যে প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে ৩০ টি কেন্দ্রে। দ্বিতীয় দফাতেও ৩০ টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ।

প্রথম দফায় একুশের ভোটসমরে নামবে রাজ্যের পাঁচ জেলা। এর মধ্যে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া। এদিকে শুক্রবার, অর্থাৎ আজ দাসপুরের নির্বাচনী সভা থেকে ফের বিজেপিকে একহাত নিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাসপুরের নির্বাচনী সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন যে, ‘খাবারে বিষ বা মাদক মিশিয়ে দেওয়া হতে পারে।’ এই মন্তব্যের পাশাপাশি তিনি আবারও অধিকারীদের ‘মীরজাফর’ বলে কটাক্ষ করলেন।

বাংলায় দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ ১ এপ্রিল। দ্বিতীয় দফাতেও ৩০ আসনে ভোট। এই ৩০ আসনের মধ্যে রয়েছে দাসপুর। শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুরে দাসপুরে নির্বাচনী জনসভা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই জনসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কর্মীদের সতর্ক করে বলেন,  ভোটগ্রহণের দিন সকলে সতর্ক থাকবেন। মনে রাখবেন, ওই দিন শুধু আমাদের পুলিশ থাকবে তেমন নয়। অন্য রাজ্যের পুলিশও থাকবে। তাই কেউ যদি আপনাদের বলে, তারা মেশিন পাহারা দেবে, একদম তা শুনে চলে যাবেন না। ওরা বিরিয়ানি দিলেও খাবেন না। ওরা সব পারে, খাবারে বিষ বা মাদক মিশিয়ে দেবে। তারপর মেশিন নিয়ে পালাবে।’

এর পাশাপাশি তিনি বিজেপির উদ্দেশে কটাক্ষ করে বলেন যে, ‘ওই শয়তানের দল নারী বিদ্বেষী, কৃষক বিদ্বেষী, উন্নয়ন বিদ্বেষী।’ আজকের সভা থেকে তৃণমূল নেত্রী বলেন যে, ‘কাল রাতে কাঁথি বাসস্ট্যান্ড থেকে উত্তরপ্রদেশের ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওই মীরজাফররা ওদের এনেছে। কিন্তু এসব করে কোনও লাভ হবে না। নন্দীগ্রাম, কাঁথি কোথাও কোনও অশান্তি করতে দেব না।’

এর পাশাপাশি নেত্রী এও জানিয়েছেন, ২৮ মার্চ থেকে নন্দীগ্রামেই থাকবেন তিনি। সভায় উপস্থিত কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া বার্তা, ‘কেউ গুন্ডামি করার চেষ্টা করলে হাতা-খুন্তি, বঁটি নিয়ে তেড়ে যান।’

উল্লেখ্য, বিজেপি ও ভিন রাজ্যের পুলিশকে আক্রমণের পাশাপাশি এদিন রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কথা আমজনতাকে আরও একবার মনে করিয়ে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই একুশে ফের একবার ক্ষমতায় এলে প্রত্যেকের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.