চুলের সমস্যা সমাধানে ঘি-এর ভূমিকা সম্পর্কে জানেন কি

চুলের সমস্যা সমাধানে ঘি-এর ভূমিকা সম্পর্কে জানেন কি
চুলের সমস্যা সমাধানে ঘি-এর ভূমিকা সম্পর্কে জানেন কি

ঘি হলো তৈলাক্ত প্রকৃতির একটি পদার্থ যা স্ট্রেসের গঠন উন্নত করতে দুর্দান্ত কাজ করে। চুল মসৃণ ও শক্তিশালী গড়ে তুলতে ঘিয়ের কোনও বিকল্প হয় না। এর জন্য কিছুটা পরিমাণ ঘি গলিয়ে অল্প গরম অবস্থাতেই গোটা চুলে ভালোভাবে মেখে নিতে হবে। এরপর আধঘন্টা রেখে দিন। এবার হালকা গরম জল ও শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

স্পিল্ট এন্ড কমাতেও এর জুড়ি মেলা ভার, চুলে পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘি ব্যাবহার করুন। এবার গোটা মাথায় লাগিয়ে ১ ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। শ্যাম্পু ও ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে পুরো মাথা। ঘি-তে রয়েছে ভিটামিন এ, ডি, কে২ ও ই। এছাড়া রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্টের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণ । চুলের পুষ্টির জন্য ঘি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

ঘি-তে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। যা মাথার ত্বকের মধ্যে প্রবেশ করে ও সমস্ত শুষ্ক, ক্ষতিগ্রস্ত চুল মেরামত করতে সাহায্য করে। এর জন্য সমপরিমাণ নারকেল তেল ও ঘি মিশিয়ে নিয়ে মাথার ত্বকে প্রায় ২০ মিনিট ধরে ঘষে ঘষে মাসাজ করতে হবে। তারপর হালকা শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নেবেন।

পুষ্টিকর ঘি এর সাহায্যে আপনি খুশকির চিকিৎসা করতে পারেন। এর জন্য দুই টেবিল চামচ ঘি নিন এবং অর্ধেক লেবুর রস বের করে নিন। এবার সেই মিশ্রণটি মাথার ত্বকে লাগিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর হাল্কা মাত্রার অ্যান্টি-ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। খুশকি কমিয়ে একটি স্বাস্থ্যকর মাথার ত্বকে পরিণত করে তুলতে ঘিয়ের কোনো বিকল্প নেই।