শাটল কক বানাতে দুয়ারে পৌঁছবে হাঁসের পালক! আধিকারিকদের নির্দেশ মমতার

শাটল কক বানাতে দুয়ারে পৌঁছবে হাঁসের পালক! আধিকারিকদের নির্দেশ মমতার
শাটল কক বানাতে দুয়ারে পৌঁছবে হাঁসের পালক! আধিকারিকদের নির্দেশ মমতার

হাওড়ার প্রশাসনিক বৈঠকে একের পর এক উদ্যোগের বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন কাশফুল থেকে বালিশ তোশক বানানোর পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি হাঁসের পালক থেকে জেকক বানানো হয় সে বিষয়ে বাড়তি নজর দেওয়ার নির্দেশ দিলেন তিনি। উলুবেড়িয়ায় দুয়ারে দুয়ারে হাঁসের পালক পৌঁছে দেওয়ার জন্য উদ্যোগ নিতে বললেন আধিকারিকদের।

এদিন হাওড়ায় প্রশাসনিক বৈঠকের একাধিক প্রকল্পের কথা জানান তিনি। বণিকসভার প্রতিনিধিরা মুখ্যমন্ত্রীকে জানান উলুবেড়িয়ায় হাঁসের পালক দিয়ে যে শাটল কক তৈরি হয় তা দেশের আর কোথাও তৈরি হয় না। যদি মুখ্যমন্ত্রী সেদিকে বাড়তি নজর দেন তাহলে সেখানকার যে সমস্ত শ্রমিক এ শিল্পের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তাদের উপকার হবে।

এই ক্লাস্টার পিছিয়ে পড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে বণিকসভার প্রতিনিধি জানান, তারা যে উপাদান দিয়ে কক বানান তার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে গুনমান সম্পন্ন হাঁসের পালক পাচ্ছেন না। এরপরে মুখ্যমন্ত্রীর মনে ধরে এই উদ্যোগ। আধিকারিককে সেই মুহূর্তেই নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, উলুবেড়িয়ায় যাতে দুয়ারে দুয়ারে হাঁসের পালক পৌঁছে দেওয়া যায় সেই ব্যবস্থা করতে।

প্রসঙ্গত, আগামী দু’বছরে হাওড়ায় ১০ হাজার কোটিরও বেশি টাকার বিনিয়োগ হবে বলে এদিন হাওড়ার প্রশাসনিক বৈঠকে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রশাসনিক বৈঠক থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমার টার্গেট শিল্প। সমস্ত দফতরকে দেখতে হবে যাতে শিল্প স্থাপনে কোনো অসুবিধা সম্মুখীন না হতে হয়। এর ফলে ১ লক্ষেরও বেশি মানুষ কাজ পাবেন”।