সত্যি হল আশঙ্কা! ৫ শতাংশের নীচে নামল দেশের আর্থিক বৃদ্ধির হার

Image source: Google

বিশেষ প্রতিবেদনঃ দিন দিনের খারাপ হচ্ছে দেশের আর্থিক অবস্থা। আশঙ্কা করা হচ্ছিল চলতি বছর দেশের আর্থিক বৃদ্ধি ৫ শতাংশের নীচে নেমে আসবে। ঘটলও তাই। ২০১৯ সালের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে আর্থিক বৃদ্ধির হার হ্রাস পেয়ে হল ৪.৫ শতাংশ। গত ত্রৈমাসিকে এই হার ছিল ৫ শতাংশ। কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান অনুযায়ী এটাই গত ৬ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন হার।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১২-২০১৩ আর্থিক বছরের এক্সশেষ ত্রৈমাসিকে ৪.৫ শতাংশে নেমে গিয়েছিল দেশের আর্থিক বৃদ্ধি। অথচ গত অর্থবর্ষের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে আর্থিক বৃদ্ধির হার ছিল ৭ শতাংশ। কিন্তু কেন এই আর্থিক বৃদ্ধির হারে পতন ঘটছে?

বেসরকারি সংস্থাগুলির বেহাল দশা, ব্যঙ্ক-এর অবস্থাও শোচনীয়। দেশে বিনিয়োগের পরিমানও দিনের পর দিন হ্রাস পাচ্ছে। এই অবস্থায় যে দেশের আর্থিক বৃদ্ধি কোন ভাবেই সম্ভব নয় তা আগে থেকেই আঁচ করা গিয়েছিল। যেখানে প্রধানমন্ত্রি ৫ লক্ষ কোটি মার্কিন ডলারের অর্থনীতির স্বপ্ন দেখছেন সেখানে দাঁড়িয়ে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির হার ৫ শতাংশেরও কম। কিন্তু দেশের এই আর্থিক সংকটের বিষয়টি মানতে একেবারেই রাজি নয় মোদি সরকার।

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বলেন, জিডিপি নিচে নেমেছে ঠিকই কিন্তু দেশে আর্থিক মন্দার পরিস্থিতি তোইরি হয়নি। এমনকি মুদ্রাপ্সহিতির পরিমানও আগের তুলনায় কমেছে। পাশাপাশি বেড়েছে বিদেশী বিনিয়োগের পরিমানও। দেশের আর্থিক অবস্থাকে চাঙ্গা করতে কেন্দ্রের তরফে যে কোন ত্রুটি করা হয়নি, সে বিষয়টি এদিন বোঝাতে ব্যঙ্কিং সংস্থা গুলি প্রসঙ্গ টানেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, কেন্দ্র সরকারের তরফে ৭০ হাজার কোটি টাকা ঢালা হয়েছে ব্যঙ্কগুলির অবস্থা ফেরানোর জন্য। শুধু ব্যঙ্কই নয় দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে মোদি সরকার। যার ফলে চলতি আর্থবর্ষের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে জিডিপি বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.