কেঁপে উঠল চামোলি, পৌরি, যোশীমঠ দেরাদুন-সহ উত্তরাখণ্ডের বেশ কিছু অঞ্চল, ধস একাধিক এলাকায়!

কেঁপে উঠল চামোলি, পৌরি, যোশীমঠ দেরাদুন-সহ উত্তরাখণ্ডের বেশ কিছু অঞ্চল, ধস একাধিক এলাকায়!
কেঁপে উঠল চামোলি, পৌরি, যোশীমঠ দেরাদুন-সহ উত্তরাখণ্ডের বেশ কিছু অঞ্চল, ধস একাধিক এলাকায়! / প্রতীকী ছবি

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ দেশে ভূমিকম্প লেগেই রয়েছে। গত বছর থেকেই শুরু হয়েছে এই ভূমিকম্প। করোনার তাণ্ডবের পাশাপাশি গত বছর থেকে ঘনঘন ভূমিকম্প একটা বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও এইসব ভূমিকম্পে এখনও পর্যন্ত তেমন কোনও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবুও আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

এবার সোমবার মধ্যরাতে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল চামোলি, পৌরি, গাঢ়ওয়াল, দেরাদুন সহ উত্তরাখণ্ডের বেশ কিছু অঞ্চলের একটি বড় এলাকা। শেষ পাওয়া খবরে, এই ভূমিকম্পে তেমন কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে, পাহাড় ভেঙে একাধিক এলাকায় নেমেছে ধস।

এই ভূমিকম্প প্রসঙ্গে ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি জানিয়েছে যে, সোমবার রাত ১২ টা ৩১ মিনিটে এই ভূমিকম্প হয়। চামোলি জেলার যোশীমঠ এলাকা থেকে ৪৪ কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে ভূমিকম্পের কেন্দ্র। তবে, কম্পনের তীব্রতা খুব বেশি ছিল না। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৩। মূলত, বেশ কিছুদিন আগে যে এলাকায় হিমবাহ ভেঙে বিপর্যয় ঘটেছিল, সেখানেই কম্পন অনুভূত হয়।

এদিকে গত সপ্তাহে গুজরাত উপকূলে ঘূর্ণিঝড় তওকতে আছড়ে পড়ায়, ভারি বৃষ্টি হয় উত্তরাখণ্ডে। এর জেরেই ধস নামে চামেলি ও বদ্রীনাথের কাছে। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে এই যোশীমঠ লাগোয়া অঞ্চলে হিমবাহ ভেঙে বড় বিপর্যয় হয়েছিল। হড়পা বানে ভেসে যায় চামোলি গ্রাম। শুধু তাই নয়, ঋষিগঙ্গা ও তপোবন বিদ্যুৎ প্রকল্পও ধসে ধ্বংস হয়ে যায়। এক সপ্তাহব্যাপী উদ্ধারকার্য চালিয়ে মোট ৭৪টি দেহ উদ্ধার করা হয়। এর পাশাপাশি নিখোঁজ ১৩৫ জনকেও মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।