করোনা টিকাকরণ শংসাপত্র থেকে সরতে পারে প্রধানমন্ত্রীর ছবি, রইল বিস্তারিত

করোনা টিকাকরণ শংসাপত্র থেকে সরতে পারে প্রধানমন্ত্রীর ছবি, রইল বিস্তারিত
করোনা টিকাকরণ শংসাপত্র থেকে সরতে পারে প্রধানমন্ত্রীর ছবি, রইল বিস্তারিত / ফাইল ছবি

বংনিউজ২৪x৭ডিজিটাল ডেস্কঃ ফের ধাক্কা বিজেপির! পেট্রল পাম্পের পর এবার করোনা টিকাকরণের শংসাপত্র। সূত্রের খবর, করোনার টিকাকরণের ডিজিটাল সার্টিফিকেট থেকেও সরিয়ে নিতে হবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ছবি, তেমনটাই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিশনের পক্ষ থেকে। শুধু তাই নয়, বাংলা-সহ পাঁচ রাজ্যেই এই নির্দেশ কার্যকর হবে বলেও জানা গিয়েছে।

সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ, কেরল, তামিলনাড়ু, অসম, পুদুচেরিতে বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে গেছে। অর্থাৎ এখন এই রাজ্যগুলিতে ভোটের আদর্শ নির্বাচন বিধি মেনে চলতে হবে। সেখানে ভ্যাকসিনের সার্টিফিকেটে প্রধানমন্ত্রীর ছবি নির্বাচনী আচরণ বিধিকে ব্যহত করছে বলেই মনে করছে নির্বাচন কমিশন। তাই নির্বাচনী আচরণ বিধি যাতে খর্ব না হয়, তাই এই নির্দেশ বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, সার্টিফিকেটে ব্যবহার করা যাবে না মোদীর ছবি এখন থেকে ভোটের ফল ঘোষণা হওয়া পর্যন্ত।

উল্লেখ্য, ভোটের দিন ঘোষণা হওয়ার পর পরই চালু হয়েছে আদর্শ আচরণ বিধি। তারপরেও কেন করোনা টিকাকরণের শংসাপত্রে প্রধানমন্ত্রী ছবি ব্যবহার করা হচ্ছে? তাই নিয়ে প্রশ্ন তুলে, গত বুধবারই নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছিল তৃণমূল। ঘাসফুল শিবিরের অভিযোগ ছিল, এ ধরনের ঘটনা শুধু নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের সমানই নয়, অধিকারের অপব্যবহারও। এর পরিপ্রেক্ষিতে গোটা বিষয়টি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের কাছে জানতে চায় নির্বাচন কমিশন। এরপরেই নির্বাচন কমিশনের এই নির্দেশ।

সূত্রের খবর, আর জানা গিয়েছে যে, কমিশন স্বাস্থ্যমন্ত্রকের কাছে জানতে চায়, আদর্শ আচরণবিধি লাগুর পরও কেন পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, কেরল, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরিতে করোনা সার্টিফিকেটে প্রধানমন্ত্রীর ছবি-নাম ব্যবহার করা হচ্ছে? বিধি চালুর পর, নির্দিষ্ট কোনও দলের ব্যক্তির ছবি বা নাম, সব ধরণের প্রচার বন্ধ রাখতে হবে।

এর উত্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রক কমিশনকে জানিয়েছে যে, টিকাকরণ প্রক্রিয়া কেন্দ্রীয় সরকারের একটি চলমান পক্রিয়া। যা আদর্শ আচরণবিধি লাগুর কয়েক সপ্তাহ আগে থেকে কার্যকর হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের জবাবের পরেই, আসন্ন বিধানসভা ভোটে পাঁচ রাজ্য থেকে করোনা টিকাকরণ সার্টিফিকেট থেকে মোদীর ছবি-নাম তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেয় কমিশন।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.