দ্বিতীয় দফার অশান্তির যাতে পুনরাবৃত্তি না হয়, ওয়েব কাস্টিং এবং সিসিটিভিতে বাড়তি নজরদারি দেওয়ার নির্দেশ কমিশনের

দ্বিতীয় দফার অশান্তির যাতে পুনরাবৃত্তি না হয়, ওয়েব কাস্টিং এবং সিসিটিভিতে বাড়তি নজরদারি দেওয়ার নির্দেশ কমিশনের
দ্বিতীয় দফার অশান্তির যাতে পুনরাবৃত্তি না হয়, ওয়েব কাস্টিং এবং সিসিটিভিতে বাড়তি নজরদারি দেওয়ার নির্দেশ কমিশনের

দ্বিতীয় দফার ভোটে নন্দীগ্রামে যে অশান্তি সৃষ্টি হয়েছিল তাদের প্রশ্নের মুখে পড়েছিল নির্বাচন কমিশনের ওয়েব কাস্টিং এবং সিসিটিভি ক্যামেরার ব্যবহার। স্বাভাবিকভাবেই কমিশনের আধিকারিকদের কাছে প্রশ্ন উড়ে এসেছিল ওয়েব কাস্টিং ব্যবস্থা থাকা সত্বেও কিভাবে এত অশান্তি হতে পারে। এরপরে নড়েচড়ে বসল কমিশন। তৃতীয় দফার ভোটে যাতে এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয় সেই কারণে ওয়েব কাস্টিং ব্যবস্থা এবং সিসিটিভির নজরদারি আরও বাড়ানোর জন্য নির্দেশ দিলেন কমিশনের আধিকারিকরা।

শনিবার নির্বাচন কমিশনের অফিসে মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক তৃতীয় দফার ভোট যেখানে রয়েছে সেই কেন্দ্রগুলির জেলাশাসক এবং প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে জেলাশাসক এবং পর্যবেক্ষকদের কড়া নির্দেশ দিয়ে জানানো হয় এবং সিসিটিভির মাধ্যমে যেন কড়া নজরদারি চালানো হয়। এছাড়াও এদিনের বৈঠকে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তৃতীয় দফার ভোটে প্রিসাইডিং অফিসারের অনুমতি ছাড়া বুথে ঢুকতে পারবে না কোনও কেন্দ্রীয় বাহিনী বা পুলিস।

প্রসঙ্গত দ্বিতীয় দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোটারদের পরিচয় পত্র দেখতে চাইছিল বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর এই দিনের বৈঠকে কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ভোটারদের পরিচয়পত্রও দেখতে পারবেনা জওয়ানরা। সেই দায়িত্ব থাকবে একমত ফাস্ট পোলিং অফিসারদের।

প্রসঙ্গত দ্বিতীয় দফার ভোটে নন্দীগ্রামে যে অশান্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় তারপরেই কমিশনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রশ্নের মুখে পড়ে। দেখা যায় ওই কেন্দ্রে একাধিক ক্যামেরার মুখ ঘোরানো ছিল। নন্দীগ্রাম সহ পূর্ব মেদিনীপুরের একাধিক কেন্দ্রে পর্যবেক্ষকরা গিয়ে ক্যামেরার মুখ সোজা করে দিলেও পরে তা ফের ঘুরে যায় বলে অভিযোগ ওঠে। এর পরেই এই ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না হয় সেই কারণে ওয়েব কাস্টিং এবং সিসিটিভিতে নজরদারি নিয়ে শাসক এবং পর্যবেক্ষকদের আরো সচেতন করলেন মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক আরিজ আফতাব।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.