নারদাকাণ্ডে চার প্রভাবশালী নেতা-মন্ত্রীর বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ ইডি’র, নাম নেই শুভেন্দুর! কেন? উঠছে প্রশ্ন

নারদাকাণ্ডে চার প্রভাবশালী নেতা-মন্ত্রীর বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ ইডি’র, নাম নেই শুভেন্দুর! কেন? উঠছে প্রশ্ন
নারদাকাণ্ডে চার প্রভাবশালী নেতা-মন্ত্রীর বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ ইডি’র, নাম নেই শুভেন্দুর! কেন? উঠছে প্রশ্ন

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ নারদাকাণ্ডে গ্রেফাতার হয়েছিলেন, রাজ্যের চার প্রভাবশালী নেতা-মন্ত্রী। যা নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পরে, জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়। এবার এঁদের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করল ইডি। বাদ পড়েননি আইপিএস অফিসার এসএমএইচ মির্জা-ও। সুত্রের খবর, রাজ্যের দুই মন্ত্রী ও বিধায়ককে বিধানসভার স্পিকারের মাধ্যমে সমন পাঠানো হবে। বাকি দু’জনের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই আদালতে সুমন জমা পড়েছে।

২০১৬ সালে নারদা স্টিং অপারেশনকে কেন্দ্র করে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল বাংলার রাজনীতিতে। আচমকাই এই স্টিং অপারেশনের হাত ধরে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিলেন ম্যাথু স্যামুয়েল। গোপন ক্যামেরায় ঘুষ নিতে দেখা গিয়েছিল মুকুল রায়, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, সুলতান আহমেদ, সৌগত রায়, শুভেন্দু অধিকারী, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, শোভন চট্টোপাধ্যায়, মদন মিত্র, ইকবাল আহমেদ, ফিরহাদ হাকিম, পুলিশ আধিকারিক এমএইচ আহমেদ মির্জাকে।

এরপর অনেকটা সময় অতিবাহিত হয়েছে। এদিকে বাংলায় একুশের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর, মে মাসে হঠাৎ করেই প্রথমে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও মদন মিত্র এবং কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়কে। এরপরই নিজাম প্যালেসে নিয়ে গিয়ে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল রাজনৈতিক মহলে। রাস্তায় নেমে তৃণমূল সমর্থকরা গ্রেফতারের প্রতিবাদ জানিয়ে সরব হয়েছিলেন। সিবিআই দফতর নিজাম প্যালেসের সামনেও বিক্ষোভের আঁচ ছড়িয়ে পড়েছিল। গ্রেফতারির খবর পেয়েই নিজাম প্যালেসে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর শেষপর্যন্ত শর্তসাপেক্ষের চার অভিযুক্তের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করে হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ।

এদিকে, গোপন ক্যামেরায় ঘুষ নিতে শুভেন্দু অধিকারীকে টাকা নিতে দেখা গেলেও, চার্জশিটে নাম নেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতার। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এর পিছনে অন্য সমীকরণের আঁচ পাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস।