শান্তিপূর্ণ পঞ্চম দফা! ভালোভাবেই পাশ করল নির্বাচন কমিশন

শান্তিপূর্ণ পঞ্চম দফা! ভালোভাবেই পাশ করল নির্বাচন কমিশন
শান্তিপূর্ণ পঞ্চম দফা! ভালোভাবেই পাশ করল নির্বাচন কমিশন

চতুর্থ দফার শীতলকুচির ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে পঞ্চম দফায় না হয় সেদিকেই শনিবার মূলত নজর ছিল নির্বাচন কমিশনের। আর শনিবার পঞ্চম দফার ভোট শেষে সেই চ্যালেঞ্জকে ভালোভাবেই অতিক্রম করল নির্বাচন কমিশন।

মোটের উপর পঞ্চম দফার ভোট হল শান্তিপূর্ণ। বিগত চার দফায় যে রক্তাক্ত অশান্তির ঘটনা চোখে পড়েছিল সেখানে কার্যত প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়ে ছিল নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা। এরপর নিজেদের সেই পরিচয় কে ঘিরে ফেলে পঞ্চম দফার ভোট যাতে শান্তিপূর্ণ হয় তা কার্যত চ্যালেঞ্জ ছিল কমিশনের কাছে। এদিন দেখা গেল দিন শেষে সামান্য কিছু পিক ক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া ভোট হয়েছে শান্তিপূর্ণ।

উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গ মিলিয়ে এদিন পঞ্চম দফায় ছয় জেলার ৪৫ টি আসনে ছিল ভোটগ্রহণ। দেগঙ্গা, বিধান নগরের শান্তিনগরে তৃণমূল বিজেপির মধ্যে সামান্য কিছু বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটলেও বড়োসড়ো কোনো অশান্তির খবর আসেনি সেভাবে। এদিন বিধাননগরের শান্তিনগর এলাকায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিজেপির অভিযোগ ছিল তাদের পোলিং এজেন্টদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে ছিলেন বিধান নগরের বিজেপি প্রার্থী সব্যসাচী দত্ত। তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসুও পৌঁছান সেখানে। নামানো হয় কিউআরটি। মাইকিং চলে এলাকাজুড়ে। এরপর কিছুক্ষণের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসলে ভোট হয় শান্তিপূর্ণভাবেই।

তবে বিধাননগরের দত্তাবাদ এ সকাল থেকেই দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়েছে এলাকা। মারমুখী জনতাকে ঠেকাতে এবং বিভিন্ন জায়গায় জমায়েত ছত্রভঙ্গ করতে তাদের বেশ কিছু জায়গায় লাঠিচার্জ করেছে বিধান নগর থানার পুলিশ। এছাড়াও কল্যাণী গয়েশপুর বিক্ষিপ্ত অশান্তি হয়েছিল সকালের দিকে।

অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের যে তিন জেলায় আজ ভোট ছিল সেখানে নজর ছিল কমিশনের। কারণ বিমল গুরুং, বিনয় তামাং থেকে শুরু করে অশোক ভট্টাচার্য প্রার্থী ছিলেন ওই সমস্ত আসনের। তবে দিনশেষে অভিযোগ আসেনি কারোর কাছ থেকেই। যা কার্যত নিজেদের চ্যালেঞ্জকে অতিক্রম করতে আরও সাহায্য করেছে কমিশনকে।

এদিন দিনশেষে পাঁচটা পর্যন্ত মোট ভোট পড়েছে ৭৮.৩৬%। এরমধ্যে জলপাইগুড়িতে ভোট পড়েছে ৮১.৭৩%, কালিম্পংয়ে ভোট পড়েছে ৬৯.৫৬%, দার্জিলিংয়ে ভোট পড়েছে ৭৪.৩১%, উত্তর ২৪ পরগনায় ভোট পড়েছে ৭৪.৮৩%, পূর্ব বর্ধমানে ভোট পড়েছে ৮১.৭২% এবং নদীয়ায় ভোট পড়েছে ৮১.৫৭%।