এবার নির্বাচন কমিশনের শোকজের সম্মুখীন তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল!

এবার নির্বাচন কমিশনের শোকজের সম্মুখীন তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল!
এবার নির্বাচন কমিশনের শোকজের সম্মুখীন তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল!

বংনিউজ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ একের পর এক, প্ররোচনামূলক মন্তব্য করে কেউ রেহাই পাচ্ছেন না নির্বাচন কমিশনের হাত থেকে। ‘প্ররোচনামূলক মন্তব্য’ করে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা, শুভেন্দু অধিকারীর পর এবার কমিশনের রোষের মুখে তৃণমূলের নেতা অনুব্রত মণ্ডল। নির্বাচন কমিশনের শোকজের সম্মুখীন অনুব্রত মণ্ডল। আজ, মঙ্গলবার রাত ১১ টার মধ্যেই তাঁকে নির্বাচন কমিশনের শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বরাবরই তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল তাঁর আলটপকা মন্তব্যের কারণে শিরোনামে উঠে এসেছেন। বিরোধীদের পক্ষ থেকে এও বলা হয় যে, ভোট এলেই তিনি নাকি আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করেন। উল্লেখ্য, এর আগেও বীরভূমের তৃণমূলের জেলা সভাপতিকে নজরবন্দি করে রেখেছিল কমিশন। রাজ্যের পঞ্চম দফা ভোটের আগে এবার অনুব্রত মণ্ডলকে শোকজ করা হল।

বাংলার ক্ষমতা দখল করার লক্ষ্যে একুশের বিধানসভা নির্বাচনে সর্বশক্তি দিয়ে লড়াইয়ের ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়েছে বিজেপি। বিজেপির শীর্ষ স্থানীয় কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ঘন ঘন আসছেন রাজ্যে প্রচারে। সেই তালিকায় রয়েছে মোদী থেকে শাহ। রাজ্যের অন্যান্য জেলার পাশাপাশি বীরভূমেও প্রভাব লক্ষ করা গেছে গেরুয়া শিবিরের। তাই ভোটের আগে অনুব্রত মণ্ডলের হুঁশিয়ারির পাশাপাশি তাঁর স্লোগান, ‘বিজেপিকে ঠেঙিয়ে পগার পার।’

সূত্রের খবর, নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে অনুব্রত মণ্ডলের এই মন্তব্যকে ‘প্ররোচনামূলক’ দাবি করে অভিযোগে জমা পড়েছে। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই বীরভূমের এই তৃণমূল নেতাকে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। এদিকে এদিন, মঙ্গলকোটে নির্বাচনী জনসভায় অনুব্রত মণ্ডল বলেন, ‘পগার পার-র মানে দেখতে হবে। আগে ডিক্সনারি খুলে মানে দেখুক, তারপর বলব’। নির্বাচন কমিশনকে ‘অন্ধ ধৃতরাষ্ট্র’ বলে কটাক্ষও করেন তিনি। এখন তিনি কমিশনের নোটিশের কী জবাব দেন, সেটাই দেখার।

উল্লেখ্য, আগামী ২৯ এপ্রিল অষ্টম দফায় ভোট রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভোটের আগে, অনুব্রত মণ্ডলের উপর কমিশনের শোকজ প্রমাণ করছে, তাঁর উপর কমিশনের নজরদারি রয়েছে। এখন প্রশ্ন, তাহলে কি তাঁর উপরেও নেমে আসবে কমিশনের শাস্তির খাঁড়া?