বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই, ২০২২

প্রতিবাদ করার অধিকার সবার আছে, তবে তা শান্তিপূর্ণভাবে! ‘অগ্নিপথ’ ইস্যুতে অকপট পঙ্কজ ত্রিপাঠী

চৈত্রী আদক

প্রকাশিত: জুন ২১, ২০২২, ১০:০৩ পিএম | আপডেট: জুন ২১, ২০২২, ১০:০৩ পিএম

প্রতিবাদ করার অধিকার সবার আছে, তবে তা শান্তিপূর্ণভাবে! ‘অগ্নিপথ’ ইস্যুতে অকপট পঙ্কজ ত্রিপাঠী
প্রতিবাদ করার অধিকার সবার আছে, তবে তা শান্তিপূর্ণভাবে! ‘অগ্নিপথ’ ইস্যুতে অকপট পঙ্কজ ত্রিপাঠী

বংনিউজ২৪×৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ ‘অগ্নিপথ’ বিতর্কে অগ্নিগর্ভ গোটা দেশ। অস্থায়ী সেনা নিয়োগে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্প এবং তার বিরোধিতায় গর্জে ওঠা চাকরীজীবিদের বিক্ষোভ আন্দোলন প্রসঙ্গে বিভিন্ন মহলে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। এরই মাঝে ‘অগ্নিপথ’ বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেতা পঙ্কজ ত্রিপাঠী।

রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে সচরাচর বক্তব্য রাখতে দেখা যায় না অভিনেতাকে। রাজনীতি থেকে নিজেকে একপ্রকার দূরেই সরিয়ে রাখেন তিনি। তবে ‘অগ্নিপথ’ বিতর্কে যেভাবে দেশ জ্বলছে তা দেখে মন্তব্য করেন অভিনেতা। বলেন, “গণতান্ত্রিক দেশে প্রতিবাদ করার অধিকার সবার রয়েছে। যে কোনও বিষয়ে বিরোধিতা করার অধিকারও রয়েছে। তবে শান্তিপূর্ণভাবে বা যথাযথভাবেই প্রতিবাদ করা উচিত।”

আসন্ন মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘শেরদিলঃ দ্য পিলিভিট সাগা’-র প্রচারে দিল্লি উড়ে গিয়েছেন পঙ্কজ ত্রিপাঠী। এদিন রাজধানীতে বসেই সেনা নিয়োগ সংক্রান্ত নয়া প্রকল্প নিয়ে মুখ খোলেন অভিনেতা। তাঁর বক্তব্য, “প্রতিবাদ করতে গিয়ে যদি সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা হয় তাহলে তাতে দেশের সম্পত্তিই ধ্বংস হয়। আমাদের দেশে প্রত্যেকের ব্যক্তিগত মতামত ব্যক্ত করার এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করার অধিকার রয়েছে”।

প্রসঙ্গত ২০ জুন, সোমবার ‘শেরদিলঃ দ্য পিলিভিট সাগা’ ছবির প্রচারেই কলকাতায় পা রাখেন ছবির প্রধান মুখ পঙ্কজ ত্রিপাঠী। সঙ্গে ছিলেন পরিচালক সৃজিত মুখার্জিও। আসন্ন ছবি মুক্তির প্রাক্কালে কলকাতা সফরে এসে উচ্ছ্বসিত ‘গঙ্গারাম’। এদিন পঙ্কজ ত্রিপাঠীকে দিয়ে ভিক্টোরিয়া ঘুরে দেখেন সৃজিত মুখার্জি। এখানেই শেষ নয়, বেশি করে ঝাল দিয়ে কলকাতার ফুচকার স্বাদ ভক্ষণেও মেতে ওঠেন তাঁরা। পরিচালক ও অভিনেতাকে দেখতে ভিক্টোরিয়ার সামনে তখন উপচে পড়া ভিড়। তিলোত্তমার বুকে রীতিমতো খোশমেজাজে সময় সময় কাটাতে দেখা যায় সৃজিত মুখার্জি ও পঙ্কজ ত্রিপাঠীকে।

অন্যদিকে গত মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ‘অগ্নিপথ’ প্রকল্পের ঘোষণা করার পর থেকেই দেশজুড়ে শুরু হয় বিক্ষোভ, মিছিল। উত্তাল হয়ে ওঠে বিহার, ঝাড়খন্ড, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, উত্তরাখন্ড, দিল্লি, তেলেঙ্গানা, বাংলা, হরিয়ানা, পঞ্জাব। রেললাইনের মাঝে টায়ার জ্বালিয়ে আন্দোলনে শামিল হন চাকরিপ্রার্থীরা। ব্যাহত হয় রেল ও সড়ক পরিষেবা। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি ভাবে নিয়ন্ত্রণে আসেনি।