ফুসফুসের যত্ন নিতে এই ব্যায়ামটি অবশ্যই করুন

বাড়িতে থেকেই পেটের এক্সারসাইজ, ব্রিদিং এক্সারসাইজ, ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ, অ্যারোবিক এক্সারসাইজ (হাঁটাহাঁটি, জগিং, সিঁড়িতে ওঠানামা করা), স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ, রেসিস্ট্যান্স এক্সারসাইজ (ডাম্বেল অথবা থেরাব্যান্ড দিয়ে) করতে পারেন। এর ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণ এ থাকবে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়বে। এ সময় ব্রিদিং এক্সারসাইজ করার জন্য নাক দিয়ে শ্বাস নিয়ে তা ৫ সেকেন্ড ধরে রাখবেন এবং মুখ দিয়ে তা ধীরে ধীরে শ্বাস ছেড়ে দেবেন। ৫ বার করার পর ৬ষ্ঠ বারের সময় কাশি দেবেন। এর ফলে ফুসফুসের দূরবর্তী ক্ষুদ্ররন্ধ্রে থাকা কফ কাশির মাধ্যমে বের হয়ে আসবে।

বয়স্করা অনেক ক্ষেত্রেই ডায়বেটিস, উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন রকম হৃদরোগ ও শ্বাসতন্ত্রের রোগে আক্রান্ত। এই সব রোগ সারাতে এক্সারসাইজের ভূমিকা অপরিসীম। হার্ট যেহেতু একটি মাংসপেশি তাই এটিকে সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমেই ওষুধের পাশাপাশি উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। গবেষণা মতে,প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট (৬০% থেকে ৮৫% এর হৃদস্পন্দন) অ্যারোবিক এক্সারসাইজ, স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ, রেসিস্ট্যান্স এক্সারসাইজ ইত্যাদির মাধ্যমে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

সিঁড়ি থাকলে মুখে মাস্ক পরে সিঁড়ির ১০টি ধাপ ওঠানামা করতে পারেন দিনে ২-৩ বার। এতে ফুসফুস এবং হার্টে রক্ত সঞ্চালন ভালো থাকবে। নাক দিয়ে যে সময় ধরে শ্বাস নেবেন, মুখ দিয়ে তার চেয়ে বেশি সময় ধরে শ্বাস ছেড়ে দেবেন। ধরা যাক ১:২ সেকেন্ড। এভাবে রোগীর ফুসফুসের আয়তনও বাড়বে, মানসিক প্রশান্তি হবে এবং রোগী আরাম বোধ করবেন।

আরও পড়ুনঃ  জলের সাথে এই জিনিসগুলি মিশিয়ে খেলে বাড়বে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.