পৌরাণিক মতে, বসন্ত পঞ্চমীর দিনেই কেন করা হয় সরস্বতী পুজো? জানুন রোমাঞ্চকর কাহিনী…

পৌরাণিক মতে, বসন্ত পঞ্চমীর দিনেই কেন করা হয় সরস্বতী পুজো? জানুন রোমাঞ্চকর কাহিনী...
পৌরাণিক মতে, বসন্ত পঞ্চমীর দিনেই কেন করা হয় সরস্বতী পুজো? জানুন রোমাঞ্চকর কাহিনী...

দেখতে দেখতে দোরগোড়ায় এসে দাঁড়িয়েছে বসন্ত। বিদায়ের পথে শীত। আর এই শীত-বসন্তের সন্ধিক্ষণেই আসে বসন্ত পঞ্চমীর দিনটি। মাঘ মাসের শুক্ল পক্ষের এই বসন্ত পঞ্চমীর দিনটিতেই আরাধনা করা হয় বিদ্যা এবং জ্ঞানের দেবী সরস্বতীর। হলুদ বসনে নিজেদের সাজিয়ে দেবীর বন্দনায় মেতে ওঠেন সকলে। প্রকৃতিও সেজে ওঠে হলুদের নানা রঙে। কিন্তু সরস্বতী পুজোর দিন হিসাবে বসন্ত পঞ্চমীকেই কেন বেছে নেওয়া হল? জানেন কি সেই কাহিনী?

পৌরাণিক মতে, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ একবার দেবী সরস্বতীর ওপর তুষ্ট হন। তখন তিনি দেবীকে বর প্রদান করে বলেন যে, বসন্ত পঞ্চমীর এই তিথিতেই তাঁর বন্দনায় রত হবে জগৎবাসী৷ ঠিক তারপর থেকেই সাদরে চলে আসছে সেই প্রথা। আবার অনেকের মতে, বসন্ত পঞ্চমীর পবিত্র দিনটিতেই নাকি দেবী সরস্বতীর জন্ম। আবার এই একই দিনে মহাকবি কালীদাসও দেবী সরস্বতীর বর পেয়েছিলেন। মহামুনি বেদব্যাসও দীর্ঘ তপস্যার পর, এই দিনেই দেবীকে তুষ্ট করে তাঁর বন্দনা শুরু করেন। তাই দেবী সরস্বতীর আরাধনার জন্য বসন্ত পঞ্চমীর চেয়ে পবিত্র দিন আর হতেই পারে না!

শুধু পুজো-আরাধনাই নয়৷ ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির দিক থেকেও এই দিনটি বিশেষ শুভ। এই পবিত্রদিনেই শিশুরা হাতেখড়ি দিতে শেখে৷ তাদের শেখানো হয় প্রথম অক্ষর জ্ঞান। প্রসার ঘটে জ্ঞানের। দেশের বিভিন্ন রাজ্যেও এই দিনটিকে বিদ্যারম্ভের সূচনার অনুষ্ঠান হিসাবে পালন করা হয়ে থাকে৷ আবার বসন্ত পঞ্চমীর এই দিনে কোনও কোনও রাজ্যে আবিরও খেলা হয়। ধরা হয়, এই বিশেষ দিনটি থেকেই হোলির শুভারম্ভ ঘটে।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.