গাড়িতে ভুয়ো লোগো, মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান সেজে গ্রেফতার প্রতারক! সহ ৩

গাড়িতে ভুয়ো লোগো, মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান সেজে গ্রেফতার প্রতারক! সহ ৩
গাড়িতে ভুয়ো লোগো, মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান সেজে গ্রেফতার প্রতারক! সহ ৩

একদিকে যখন একের পর এক নীলবাতি লাগানো গাড়ি আটক করছে পুলিশ অন্যদিকে নানান অছিলায় বেড়েই চলেছে ভুয়ো আধিকারিকের দৌরাত্ম্য। এবার ঘটনাস্থল নিউ টাউন, সেখান থেকে গ্রেফতার ভুয়ো ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটসের চেয়ারম্যান। গাড়িতে হিউম্যান রাইটসের ‘লোগো’ ব্যাবহার করে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন ওই ব্যাক্তি। অবশেষে গ্রেফতার হাতে নাতে। ধৃত ওই ভুয়ো চেয়ারম্যানের নাম তারক মণ্ডল। তাঁর সাথে গ্রেফতার করা হয়েছে আরও তিনজন ব্যাক্তিকে। গাড়ির চালক সহ পুলিশের জালে আরও দুই। চালকের নাম সত্যেন্দ্র নাথ যাদব, তিনি বিহারের বাসিন্দা। তদন্তে নিউ টাউন থানার পুলিশ।

আজ তাঁদের সকলকেই বারাসাত আদালতে তোলা হবে পাশাপাশি তাঁদের পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার আবেদনও করবে পুলিশ বলে জানা যায়। ধৃতদের গাড়িটিকেও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।

নিউ টাউন থানার হাতে গ্রেফতার ভুয়ো আধিকারিক তারক মণ্ডল
নিউ টাউন থানার হাতে গ্রেফতার ভুয়ো আধিকারিক তারক মণ্ডল

ঘটনার সূত্রপাত গতকাল বিকেলে, নিউটাউন নারকেল বাগান মোড়ে টহলদারি করার সময় পুলিশের নজরে আসে ওই গাড়িটি। আর তাতেই সন্দেহ জোড়ালো হয় তাঁদের। গাড়ি থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর চাওয়া হয় গাড়ির কাগজপত্র। তা দেখাতে না পারায় তাঁদের পরিচয় জানতে চাওয়া হলে বেরিয়ে আসে সত্যি ঘটনা। জানা যায় তারক মণ্ডল আদতে কোনও আধিকারিক নন। মানবাধিকার কমিশনের ভুয়ো চেয়ারম্যান।

জিজ্ঞাসাবাদ করার পর জানা যায় ওই ‘লোগো’ লাগানো গাড়িতে চেপে তাঁরা ঘুরে বেড়াতেন বিভিন্ন জায়াগায়। যেখানে কোনও সমস্যা দেখা যেত সেখানেই তাঁরা সাহায্যের জন্যে পৌঁছে গিয়ে চাইতেন টাকা। শুধু মানবাধিকার সম্পর্কিত সমস্যাই নয়, প্রমোটারের সমস্যা হোক বা পুলিশি কোনও সমস্যা, তা টাকা নিয়ে মেটানোর প্রস্তাব দিয়ে ঠকাতেন মানুষকে।

পাশাপাশি যে দু’জন ব্যাক্তিকে আটক করেছে পুলিশ, তাঁরা মূলত দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করতেন তারক মণ্ডলের কাছে। তাঁদের পরিচয় চাওয়ায় জানা যায় তাঁরা পেশায় ‘লেবার’। কত জায়াগায় তাঁরা তাদের ভুয়ো অভিযান চালিয়েছেন তা তদন্ত করবে পুলিশ।