‘চাক্কা জ্যাম’-এর পর এবার ‘রেল রোকো’ কর্মসূচির ডাক প্রতিবাদী কৃষকদের

'চাক্কা জ্যাম'-এর পর এবার 'রেল রোকো' কর্মসূচির ডাক প্রতিবাদী কৃষকদের / ছবি সৌজন্যেঃ ফাইল ছবি
'চাক্কা জ্যাম'-এর পর এবার 'রেল রোকো' কর্মসূচির ডাক প্রতিবাদী কৃষকদের / ছবি সৌজন্যেঃ ফাইল ছবি

এবার দেশ ব্যাপী রেল অবরোধের ডাক দিল সংযুক্ত কিষান সংগঠন। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারী, সারা দেশ জুড়ে ৪ ঘন্টার ‘রেল রোকো’ কর্মসূচী পালন করতে চলেছেন তাঁরা। সংগঠন থেকে জানানো হয়েছে, ওই দিন দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে এই অবরোধ। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রের কিষান বিলের বিরুদ্ধেই দেশজুড়ে আন্দোলনরত কৃষকদের এই প্রতিবাদ।

কৃষি আইনের প্রতিবাদে বেশ কয়েকমাস ধরেই দিল্লি সীমানায় আন্দোলনে রত সারা দেশের কৃষকরা। এর আগে তাঁরা ‘চাক্কা জ্যাম’ কর্মসূচীরও ডাক দিয়েছিলেন। সম্প্রতি প্রজাতন্ত্র দিবসে লাল কেল্লা দখল এবং সেখানে ঘটে যাওয়া হিংসাত্মক ঘটনার পর আরও সতর্কতার সঙ্গেই আগামী পদক্ষেপ নিতে চলেছেন দেশের অন্নদাতারা। এবার তাঁদেরই হাত ধরে রেল অবরোধ সফল করারও ডাক এল।

ইতিমধ্যেই গতকাল, ১২ ফেব্রুয়ারী টোল সংগ্রহও বন্ধ করা কর্মসূচী জারি রেখেছিলেন কৃষকরা। এই প্রসঙ্গে গত বুধবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লোকসভায় নিজের বক্তব্য পেশ করেন। কৃষকদের ‘আন্দোলনজীবী’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন,’কৃষক আন্দোলন পবিত্র। কিন্তু, আন্দোলনজীবীরা স্বার্থপর হলে কী হয় দেখেছেন? টোলপ্লাজায় ভাঙচুর চালানো কি পবিত্র আন্দোলন? আন্দোলনজীবীরা পবিত্র আন্দোলনকে অপবিত্র করছেন। তাই আন্দোলনজীবীদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করা জরুরি।’ পাশাপাশি কৃষকদের উদ্দেশ্যে ‘আসুন, আলোচনার টেবিলে বসুন’- বলেও আর্জি জানান তিনি।

অন্যদিকে, কৃষি আইন প্রসঙ্গে নরেন্দ্র মোদী বক্তব্য রাখতেই ‘কালা কানুন’-এর প্রতিবাদে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন বিরোধীরা। সে প্রসঙ্গে কংগ্রেসকে ঠুকে জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কৃষি আইন কালো না সাদা সেই নিয়ে চর্চা করছে কংগ্রেস। এর থেকে কৃষি আইনের বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করলে তা বেশি উপকারে আসত। সেই সঙ্গে তিনি এও জানান কৃষি আইনে কোনও কিছুই বাধ্যতামূলক নয়, বিকল্প বেছে নেওয়ার পথও রয়েছে। এরপরই কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যান কংগ্রেস প্রার্থীরা।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.