বিক্ষিপ্ত অশান্তির মধ্যে দিয়েই শুরু হল পঞ্চম দফা

বিক্ষিপ্ত অশান্তির মধ্যে দিয়েই শুরু হল পঞ্চম দফা
বিক্ষিপ্ত অশান্তির মধ্যে দিয়েই শুরু হল পঞ্চম দফা

ভোট উৎসবের আজ পঞ্চম দিন। এদিন ৬ টি জেলার ৪৫টি আসনে হচ্ছে ভোট গ্রহণ। আগের দফা গুলি থেকে শিক্ষা নিয়ে এই দফায় অনেকটাই সচেতন নির্বাচন কমিশন। অন্যান্য বারের থেকে এবারে মোতায়েন রয়েছে আরও বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী। জায়গায় জায়গায় চলছে নাকা চেকিং। তাও ভোট শুরু হতেই চোখে পড়ল বিক্ষিপ্ত অশান্তির ছবি।

এদিন সকাল থেকেই উত্তপ্ত বর্ধমান উত্তর বিধান সভা কেন্দ্র। এখানে বিজেপির অভিযোগ, সরাইটিকর অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭০,৭১,৭২,৭৩ নম্বর বুথে বিজেপির এজেন্টকে মারধর করেছে তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা। ইতিমধ্যেই ওই এজেন্টকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এই কেন্দ্রেই স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ তৃণমূলের কর্মীরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। এমনকি মহিলাদের সঙ্গেও অশ্লীল ব্যবহার করা হয়েছে। একইসঙ্গে বর্ধমান উত্তরের এই কেন্দ্রে কোনও কেন্দ্রীয় বাহিনীর দেখা নেই বলেও জানিয়েছে বাসিন্দারা। তাদের চোখে মুখে আতঙ্ক স্পষ্ট। তাঁদের দাবি, পুলিশ বা কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে যদি তাঁদের বুথে নিয়ে যাওয়া না হয় তাহলে তাঁরা ভোট দিতে যাবেন না।

অন্যদিকে, কল্যাণী গয়েশপুর বাইপাসে অবরোধ করছে স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, বুথের দুশো মিটারের কোনও কেন্দ্রীয় বাহিনীর দেখা মেলেনি। পাশাপাশি তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বাইক করে স্থানীয়দের ভয় হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বাসিন্দারা। বৈধ ভোটার কার্ড থাকলেও দিতে দেওয়া হচ্ছিল না ভোট। এর জেরেই ভোটার কার্ড নিয়ে অবরোধে বসেছেন স্থানীয়রা। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই খবর পৌঁছেছে নির্বাচন কমিশনের কাছে। এরমধ্যেই ওই এলাকায় কুইক রেসপন্স টিমের পাঠানো হয়েছে। বিজেপির প্রার্থী ওই বুথে গিয়ে কথা বলেছেন। এর পরেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

অন্যদিকে বিধাননগরে ২১২ এবং ২১৩ নম্বর বুথে বিজেপির বিরুদ্ধে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ উঠছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। সবকয়টি ঘটনার খবর পাওয়ার পরেই তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নিচ্ছে কমিশন। প্রতিটি জায়গাতেই পাঠানো হচ্ছে পর্যাপ্ত বাহিনী।

এদিকে এই দফায়ও রয়েছে বেশ কিছু হেভিওয়েট প্রার্থী। তাদের মধ্যে থাকছেন মদন মিত্র, চিরঞ্জিত, অদিতি মুন্সি, পার্ণো মিত্র, সব্যসাচী চক্রবর্তী, সুজিত বসু প্রমুখ।