রাতের শহরে জোড়া অগ্নিকাণ্ড! পুড়ে ছাই ঘটনাস্থল

রাতের শহরে জোড়া অগ্নিকাণ্ড! পুড়ে ছাই ঘটনাস্থল
রাতের শহরে জোড়া অগ্নিকাণ্ড! পুড়ে ছাই ঘটনাস্থল

রাতের শহরে জোড়া অগ্নিকাণ্ড। গোটা ঘটনায় ভস্মীভূত ঘটনাস্থল। তবে হতাহতের কোনও খবর নেই। দুটি ঘটনার মধ্যে একটি ঘটনা ঘটেছে ট্যাংরার পিলখানা রোডে। অন্যটি ঘটেছে শোভাবাজারের হরি বোস লেনে। কিভাবে আগুন লাগল এই দুই জায়গায় তা খতিয়ে দেখছে দমকল বাহিনী।

স্থানীয় সূত্রে খবর, রাত ৩টে নাগাদ প্রথমে ট্যাংরার পিলখানা রোডে প্লাস্টিকের স্ক্র্যাপের গুদামে আগুন লাগে। যেহেতু ওই কারখানায় প্লাস্টিকের মত দাহ্য বস্তু ছিল তাই আগুন খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ভস্মীভূত হয়ে যায় ৩টি গুদাম। স্থানীয়রা ধোঁয়া বেরোতে দেখলেই খবর দেয় দমকলে। একইসঙ্গে নিজেরাও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। এরপরেই ঘটনাস্থলে আসে দমকলের চারটি ইঞ্জিন। দীর্ঘ ২ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যায়। তবে ওই রাস্তা খুব সরু হওয়ায় যথেষ্ট বেগ পেতে হয় দমকলকর্মীদের। যার জেরে আগুন ততক্ষনে পাশের দুটি গুদামেও ছড়িয়ে পড়ে ভস্মীভূত করে দেয়।

অন্যদিকে, ভোর ৪টে নাগাদ শোভাবাজারের হরি বোস লেনে একটি টালির বাড়িতে আগুন লাগে। সেখানেও ভোরের দিকে ধোঁয়া বেরোতে দেখেন স্থানীয়রা। এরপরেই খবর দেওয়া হয় দমকলে। কিন্তু দমকলের বিরুদ্ধে দেরিতে আসার অভিযোগ তোলেন স্থানীয়রা। এদিকে এই টালির বাড়িতে ছয়টি গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ ছিল বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয়রা প্রাণের ঝুঁকি নিয়েই ওই সিলিন্ডার গুলো বের করে আনে। নয়তো একটি সিলিন্ডার থেকে বিস্ফোরণ হলেও আশেপাশের বাকি বাড়ি ভস্মীভূত হয়ে যেত।

স্থানীয় সূত্রে আরও খবর, ওই বাড়িতে কেউ থাকতেন না। মূলত স্টোর রুম হিসেবেই ব্যবহার করা হত বাড়িটিকে। তাই ক্ষয়ক্ষতি প্রচুর হলেও হতাহতের কোনও খবর নেই। এদিকে দুটি জায়গাতেই কিভাবে আগুন লেগেছে সেই বিষয়ে এখনও স্পষ্ট নয় দমকল আধিকারিকদের কাছে। যদিও গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে তদন্তকারী দল।