ভারতচক্রের বিতর্কিত পুজো নিয়ে মুখ খুললেন ফিরহাদ

ভারতচক্রের বিতর্কিত পুজো নিয়ে মুখ খুললেন ফিরহাদ
ভারতচক্রের বিতর্কিত পুজো নিয়ে মুখ খুললেন ফিরহাদ

প্রত্যেক বছরই থিমের চমক দিয়ে তাক লাগায় দমদম পার্ক ভারতচক্র। এবারেও কৃষক আন্দোলনের থিমকে নিজেদের মণ্ডপে তুলে ধরেছে তাঁরা। আর এই থিমকে মান্যতা দিতেই মণ্ডপে ব্যবহার করা হয়েছে জুতো। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। আইনি নোটিশও দেওয়া হয়েছে ওই পুজো কমিটিকে। এবার এই বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।

অপর একটি পুজো উদ্বোধন করতে গিয়ে ফিরহাদ হাকিম বলেন, “এসব বিজেপির নোংরা রাজনীতি। কাউকে অপমান করার জন্য ভারতচক্র এই মণ্ডপ তৈরি করেনি। বরং আজকের অবস্থাটা বোঝানোর জন্যই এই মণ্ডপ তৈরি করা হয়েছে”। কৃষক আন্দোলনের থিমকে ফুটিয়ে তুলতে মণ্ডপ সজ্জায় ব্যবহার করা হয়েছে বহু জুতো, চটি। আর তাতেই ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগ উঠেছে।

রাজ্যের মন্ত্রী আরও বলেন, “বিজেপি প্রত্যেক পুজোতেই নোংরা রাজনীতি টেনে নিয়ে আসে। আমি মণ্ডপ কী দিয়ে সাজাব তা নিয়ে বিজেপি ফতোয়া জারি করবে, এটা তো মানা যায় না। সেখানে একটা প্রতীকের কাজ করেছে জুতো। আর এটাই বিজেপির গায়ে লেগেছে। কারণ ওদের মনে পাপ আছে। ঠাকুর ঘরে কে, আমি তো কলা খাইনি এই অবস্থা হয়েছে বিজেপির।”

প্রসঙ্গত, এই মণ্ডপ সজ্জার বিরোধিতা করেছেন স্থানীয় এক বিজেপি নেতা। বিজেপি নেতা, অরুণ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘আমরা কেন মন্দিরে জুতো খুলি ঢুকি? কারণ ওটা আমাদের ভক্তির জায়গা। আর একটা রাজনৈতিক কর্মসূচিকে থিম করে মণ্ডপের গায়ে জুতো ব্যবহার করেছে ভারতচক্র। যা কখনওই কাম্য নয়।’ এরপরেই এই অভিযোগে দমদম পার্ক ভারতচক্রের পুজো কমিটিকে আইনি নোটিস পাঠান আইনজীবী পৃথ্বীবিজয় দাস। তিনি বিজেপি ঘনিষ্ট বলেই খবর।

অন্যদিকে ক্লাব কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, যে ভাবে এই থিমকে ঘিরে রাজনৈতিক রং লাগানো হচ্ছে তা মোটেই ঠিক নয়। বরং কৃষক আন্দোলন, সন্ন্যাসী আন্দোলন, তেভাগা, কৃষক আন্দোলন তুলে ধরা হয়েছে এই থিমের মাধ্যমে। কৃষক আন্দোলনকে তুলে ধরতেই প্রতীকী হিসাবে এই জুতোর ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্লাবের কর্মকর্তারা।