শাটার খুলতেই টিকা নিতে ‘পড়ি কি মরি’ করে ছুট জনতার! পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের হস্তক্ষেপ

শাটার খুলতেই টিকা নিতে 'পড়ি কি মরি' করে ছুট জনতার! পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের হস্তক্ষেপ
শাটার খুলতেই টিকা নিতে 'পড়ি কি মরি' করে ছুট জনতার! পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের হস্তক্ষেপ

করোনা মোকাবিলায় দেশ জুড়ে চলছে টিকাকরণ। অনেকেই টিকা পেয়ে গিয়েছেন। বাকি রয়েছেন আরও বহু মানুষ। এরই মাঝে বেশ কিছু রাজ্যে দেখা দিয়েছে টিকার অভাব। পর্যাপ্ত পরিমাণ টিকা না থাকায় তা পাচ্ছেন না অধিকাংশ মানুষ। এই অবস্থায় টিকা নেওয়ার জন্য মানুষের হুড়োহুড়ি লাগা খুবই সাধারণ বিষয়। কিন্তু সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে এমনই এক ভিডিও যা দেখে আঁতকে উঠেছে নেটপাড়া। টিকার নেওয়ার জন্য টিকাকেন্দ্রের শাটার খুলতেই পড়ি কি মরি করে দৌঁড় লাগালেন আগ্রহী জনতা। কয়েকজন হুমড়ি খেয়ে পড়েও গেলেন। কাণ্ড দেখে চোখ কপালে তুলেছেন নেটিজেনরা।

ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের ছিন্দওয়াড়া জেলায়। সেখানে স্থানীয় এক টিকাকেন্দ্রের শাটার খুলতেই দেখা গেল এই দৃশ্য। একসঙ্গে হুড়মুড়িয়ে ঢুকে পড়লেন শতাধিক মানুষ। এ ওর গায়ে পড়ে যেন দলা পাকিয়ে গেলেন। বেশ কিছুজন পদপৃষ্ঠও হয়ে যান। তাঁদের টপকেই আবার পিছন থেকে ঢুকে পড়তে থাকেন অপেক্ষারত অন্যান্য। যাঁরা ভাগ্যক্রমে টিকাকেন্দ্রে ঢুকে পড়তে পারেন, আগেই চেয়ার দখল করতে ছুট লাগান তাঁরা। সব মিলিয়ে এক বিশৃঙ্খল অবস্থার সৃষ্টি হয় ওই টিকাকেন্দ্রে।

ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন অনুরাগ দ্বোয়ারি নামক এক ব্যক্তি। এরপরই তা ভাইরাল হয়ে যায়৷ নেটিজেনরা প্রশ্নও তুলেছেন হঠাৎ করে কেন এরকম এক পরিস্থিতি তৈরি হল? জানা গিয়েছে, ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য টিকাকেন্দ্রের বাইরে লম্বা লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে। এসবের মাঝে হঠাৎ করে যদি ভ্যাকসিন শেষ হয়ে যায় তাহলেই মাথায় হাত! তাই টিকাকেন্দ্রের বাইরে ভীড় জমিয়েছিলেন আগ্রহী জনতা। শাটার নামতেই তাড়াতাড়ি করে ভিতরে প্রবেশ করে চেয়ার দখল করে নিতে পারলেই কেল্লাফতে। তাহলেই ভ্যাকসিন পাওয়া মোটামুটি নিশ্চিত। সেই কারণে ওইরকম এক বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছিল।

অবশ্য এরপরই ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় পুলিশ। পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলেই জানা গিয়েছে। তবে এত সংখ্যক মানুষের টিকা নিতে আগ্রহ দেখে দেশের স্বাস্থ্যমহল একদিকে যেমন খুশি তেমনই এরকম পরিস্থিতির তৈরি হওয়ার জন্য বেশ চিন্তিতও বটে। টিকার ঘাটতি না থাকলেই আর এরকম পরিস্থিতি হবে না বলেও আশা রাখছেন স্বাস্থ্যমহলের একাংশ।