শেষ দফার ভোটের আগে তৃণমূল ছাড়লেন প্রাক্তন মন্ত্রী উপেন্দ্রনাথ বিশ্বাস

শেষ দফার ভোটের আগে তৃণমূল ছাড়লেন প্রাক্তন মন্ত্রী উপেন্দ্রনাথ বিশ্বাস
শেষ দফার ভোটের আগে তৃণমূল ছাড়লেন প্রাক্তন মন্ত্রী উপেন্দ্রনাথ বিশ্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদনঃ রাজ্যের ভোট যুদ্ধ শেষের মুখে। সম্পন্ন হয়েছে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম দফার ভোট প্রক্রিয়া। অন্যদিকে রাত পোহালেই অষ্টম দফার ভোট। রাজ্যের শাসক দলে কে আধিপত্ত বিস্তার করবে তা নিয়ে চলছে রাজনৈতিক বিরোধ। রাজনৈতিক দলগুলি তাঁদের অবস্থান পাকাপক্ত করতে বহু আগে থেকেই আসরে নেমে পড়েছে। নির্বাচন ঘিরে উত্তপ্ত রাজ্য। আর এরই মাঝে শেষ দফা ভোটের আগে তৃণমূল ছাড়লেন প্রাক্তন মন্ত্রী উপেন্দ্রনাথ বিশ্বাস।

অন্যদিকে দল ত্যাগ করা নিয়ে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী উপেন্দ্রনাথ বিশ্বাস কী প্রতিক্রিয়া দিলেন একনজরে দেখে নিন.. তিনি বলেন, “কোনও কারণ নেই। আমি অনেকদিন আগে থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে আমি ইলেকশনের রেজাল্ট দেখে পদত্যাগ দেবো। এটা ঠিক হবে না, তারপর কেউ বলবে যে ও হেরে গেছে বলে রিজাইন করলো বা জিতে গেলো বলে রিজাইন করলো না। আমি এটা অনেক আগেই বলেছিলাম যে ১০ বছর হয়ে গেলে আমি আর সক্রিয় রাজনীতিতে থাকবো না। আমাদের ডিস্ট্রিক্ট প্রেসিডেন্ট জতিপ্রিয় মল্লিক বলেছিল উপেন দা আপনি একটা সেফ সিটে লড়াই করবেন। কিন্তু আমি বলেছিলাম সেটা আমার আর হবে না। কারোর উপর আমার ক্ষোভ নেই। কাজ করার সময় একটু কথাকাটাকাটি হয়েছে। তবে কোনও ক্ষোভ নেই। আমি এস এস বির ব্রিগেডিয়ার ছিলাম, আমার সাথে কাজ করতে গিয়ে উত্তাপ হয়েছে কিন্তু কোনও দিনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে গিয়ে বলিনি কেউ ভালো কেউ খারাপ।“ রইলো ভিডিও..

এছাড়া তিনি বলেন, “আমি ইলেকশন বিশেষজ্ঞ না, নির্বাচনে কে জিতবে কে হারবে বলতে পারবো না। প্রতিপক্ষ বিজেপি। লড়াইটা তৃণমূল আর বিজেপির মধ্যে। কোনও দলের সঙ্গে যোগাযোগ নেই। সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব আছে। অন্য দলে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। রাজনীতি ছাড়লাম। আমি রাজনীতির মানুষ নই। আমি সোশ্যাল সার্ভিসের মানুষ। আমি জনসেবার কাজ করেছি। রাজনীতি ব্যাপারটা its not my cup of tea। আমি ইমেল মারফত ইস্তফা পাঠিয়েছি আর হার্ড কপিও পাঠিয়েছি। এখনও তৃণমূলের পক্ষ থেকে কেউ যোগাযোগ করেনি। হয়তো হাতে পায়নি। কেউ যাতে আঙ্গুল না তুলতে পারে যে নির্বাচনের ফল দেখে আমি ইস্তফা দিয়েছি তাই নির্বাচন চলাকালীন দিলাম। ইলেকশনে সব দলের ভূমিকা থাকে ও কমিশনেরও ভূমিকা থাকে। উন্নয়ন তো বন্ধ হয়ে থাকেনি। তবে ইলেকশন হলে একটা অন্যরকমের আবহ তৈরি হয়। সেই আবহাওয়ায় কে কোথায় যাবে সেটা সবসময় পরিবর্তনশীল।“

উল্লেখ্য আগামী ২ রা মে নির্বাচনের ফলপ্রকাশ। আর তার আগে তৃণমূলের প্রাক্তণ মন্ত্রী উপেন্দ্রনাথ বিশ্বাস এর দল ত্যাগের সিদ্ধান্ত কতটা প্রভাব ফেলবে তা নিয়ে জল্পনা রাজনৈতিক মহলে। কে হাসবে শেষ হাসি! রাজ্যের শাসক হিসেবে কে আধিপত্য বিস্তার করবে তা জানা যাবে ২ রা মে।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.