ছবি দেখলে শিউরে উঠতে হয়! আবর্জনা ফেলার গাড়িতে শ্মাশানে আনা হচ্ছে করোনার মৃতদেহ!

ছবি দেখলে শিউরে উঠতে হয়! আবর্জনা ফেলার গাড়িতে শ্মাশানে আনা হচ্ছে করোনার মৃতদেহ!
ছবি দেখলে শিউরে উঠতে হয়! আবর্জনা ফেলার গাড়িতে শ্মাশানে আনা হচ্ছে করোনার মৃতদেহ!

বংনিউজ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ প্রতিদিন ভয়ঙ্কর দুঃস্বপ্নের মতো তাঁরা করে বেড়াচ্ছে মারণ করোনা। এই মুহূর্তে দেশজুড়ে যা করোনা পরিস্থিতি, তাতে ভয়ঙ্কর, উদ্বেগজনক ইত্যাদি কোনও বিশেষণই যথেষ্ট নয়।

প্রতিদিন সংক্রমণের নয়া রেকর্ড তৈরি হচ্ছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। প্রতদিন এমন সব ছবি প্রকাশ্যে আসছে, যার ভয়াবহতা দেখলে আঁতকে উঠতে হয়। প্রতিদিন সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে এই সব ছবি আতঙ্কের বাতাবরণকে আরও ভয়ঙ্কর করে তুলছে। এই সব দেখলে আরও একবার মারণ করোনার ভয় মনে জাঁকিয়ে বসবে নিঃসন্দেহে।

করোনার ভয়াবহতা এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, দেশে সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে বেড নেও, অক্সিজেনের অভাব দেখা দিয়েছে, ভেন্টিলেটর নেই। মানুষের চোখের সামনেই প্রায় বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছে মানুষ। শ্মশানে সারি দিয়ে পুড়ছে মৃতদেহ। সৎকারের অপেক্ষায় আরও অনেক মৃতদেহ। শ্মশানেও বিরামহীনভাবে করোনার মৃতদেহ পুড়তে পুড়তে কোথাও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে চিমনি। সরকারি খাতায়-কলমে হিসেবে কম থাকলেও, বাস্তব চিত্রটা সম্পূর্ণ আলাদা এবং আরও ভয়াবহ।

এবার প্রকাশ্যে এল আরও এক ভয়াবহ চিত্র। ঘটনাটি ছত্তীসগড়ের রাজনন্দগাঁওয়ের। পিপিই কিটসে মোড়া স্যানিটেশন কর্মীরা করোনায় মৃত ব্যক্তিদের দেহ শ্মশানে নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি আবর্জনার গাড়ি ভর্তি করে তুলছেন।

এমন ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই, তা নিয়ে একাধিক বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে। চিফ মেডিকেল হেলথ অফিসারকে প্রশ্ন করা হয়, তিনি খানিকটা দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার ভঙ্গিতে সাফ জানান, ‘গাড়ির ব্যবস্থা করা নগর পঞ্চায়েত ও সিএমও-এর দায়িত্ব।

উল্লেখ্য, ছত্তীসগড়ে মারাত্মক হারে বেড়েছে করোনার সংক্রমণ। করোনা যুদ্ধে সামিল হতে রাজনন্দগাঁওয়ের প্রেস ক্লাব চত্বরকে কোভিড সেন্টার বানানো হয়েছে। লক্ষ্ণণহীন রোগীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে সেখানে। এখানে ৩০টি শয্যার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

এদিকে বুধবারেও ছত্তিশগড়ে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ১৪ হাজার ২৫০ জন, মৃত্যু হয়েছে ১২০ জনের। যার জেরে মোট আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে ৪ লক্ষ ৮৬ হাজার ২৪৪ এ। মোট মৃতের সংখ্যা ৫৩০৭। এরমধ্যে শেষ ১ মাসে মৃত্যু হয়েছে ১৪১৭ জনের। যা রীতিমতো ভয় ধরাচ্ছে।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.