চশমা পরলে তিনগুণ কমে করোনার আশঙ্কা! গবেষণায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য…

চশমা পরলে তিনগুণ কমে করোনার আশঙ্কা! গবেষণায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য... / ছবি সৌজন্যেঃ ফাইল ছবি
চশমা পরলে তিনগুণ কমে করোনার আশঙ্কা! গবেষণায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য... / ছবি সৌজন্যেঃ ফাইল ছবি

করোনার কবল ছেড়ে এখনও বেরোতে পারেনি আমাদের এই দেশ। এরমধ্যেই যদিও শুরু হয়েছে টিকাকরণের প্রক্রিয়া। তবুও করোনার প্রকোপ কমতে সময় লাগবে আরও বেশ কিছু দিন। এরমধ্যেই করোনা নিয়ে চলছে বিভিন্ন গবেষণা। সেই গবেষণায় প্রায়ই উঠে আসছে নিত্য নতুন তথ্য। সম্প্রতি এমনই এক গবেষণা থেকে উঠে এল এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। চশমা পরলে নাকি তিনগুণ কমে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা!

ভারতের প্রকাশিত এই গবেষণার অন্যতম অমিত কুমার সাক্সেনা জানাচ্ছেন, যাঁরা চশমা পরেন তাদের তুলনায় যাঁরা পরেন না, তাদের করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা অন্তত তিনগুণ বেশি। অর্থাৎ একথা প্রমাণিত, চশমা পরলে কমে করোনার সংক্রমণ। সারা দিনে বহুক্ষণ চশমা পরে থাকলে সুরক্ষার দিক দিয়ে তা ‘পরিসংখ্যাণগত দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ’। এর বড় কারণ হচ্ছে, চশমা পরে থাকা অবস্থায় চোখে হাত দেওয়া বা চোখ কচলানোর অভ্যাস তুলনামূলক কমে। তাই কমে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কাও।

৩০৪ জন কোভিড আক্রান্তকে নিয়ে এই গবেষণাটি চালানো হয়ছিল। সেখানে বলা হয়েছে, ব্যক্তিবিশেষে সারা দিনে কেউ নিজের মুখ গড়ে ২৩ বার স্পর্শ করেন। আর চোখ স্পর্শ করেন প্রতি ঘণ্টায় গড়ে তিন বার। এদিকে মুখ, নাক এবং চোখে স্পর্শের মাধ্যমেই করোনার সংক্রমণ বাড়ে। মাস্ক পরে থাকলে হাত দিয়ে নাক ও মুখ স্পর্শের অভ্যাস অনেকটাই কমে। অন্যদিকে চশমা পরলে চোখেও হাত যায় না। ফলে চোখটিও সুরক্ষিত থাকে।

গবেষকরা দাবী করেছেন, সংক্রমণ থেকে স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষিত রাখতে ফেসশিল্ড ও গগলসের ব্যবহার খুবই প্রয়োজনীয়। এমনকি গগলস যা সুরক্ষা দিতে পারে, তা চশমাও দিতে পারে না বলে জানিয়েন তাঁরা। তবে পাশাপাশি তাঁরা এও বলেছেন, চশমা পরলেও সংক্রমণ অনেকটাই কম হয়। এছাড়াও গবেষণাটিতে বলা হয়েছে, দরিদ্র ও নিরক্ষর মানুষদের মধ্যেই ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি। কারণ, ওই শ্রেণীর মানুষরা সঠিকভাবে প্রতিরোধমূলক নির্দেশিকা পালন করেন না। এছাড়াও শিক্ষিতদের তুলনায় চশমা পরার অভ্যেসও তাদের বেশ কম।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.