কেন ধারাভাষ্যকারের কাজ করেন গম্ভীর? উত্তরে যা বললেন শ্রদ্ধায় মাথা নত হতে বাধ্য! রইল ভিডিও

কেন ধারাভাষ্যকারের কাজ করেন গম্ভীর? উত্তরে যা বললেন শ্রদ্ধায় মাথা নত হতে বাধ্য! রইল ভিডিও
কেন ধারাভাষ্যকারের কাজ করেন গম্ভীর? উত্তরে যা বললেন শ্রদ্ধায় মাথা নত হতে বাধ্য! রইল ভিডিও

একসময় একার কাঁধে তিনি জিতিয়েছিলেন বহু ম্যাচ। বর্ণময় ক্রিকেট জীবনে জিতেছিলেন বহু ট্রফিই। ক্রিকেট ছেড়ে সেই গৌতম গম্ভীর এখন রাজনীতির ময়দানে। আর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি নিয়মিত ক্রিকেটের ধারাভাষ্যকার হিসেবেও দেখা যায় এই প্রাক্তন তারকা ক্রিকেটারকে। কিন্তু রাজনীতির শত ব্যস্ততার মাঝেও কেন ধারাভাষ্যকারের কাজ করেন তিনি? উত্তরে গম্ভীর যা বলেছেন, শুনলে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়ে আসতে বাধ্য!

সম্প্রতি ‘টাইমস নাও’কে দেওয়া এক সাংবাদিক সাক্ষাৎকারে একটি প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় গম্ভীর তাঁর ধারাভাষ্যের প্রসঙ্গ তোলেন। সেখানে সঞ্চালক সাংবাদিকটি তাঁকে প্রশ্ন করেন, “যখন দিল্লিতে জল জমেছিল তখন আপনি ট্যুইট করেছিলেন, ‘নাদান পারিন্দে ঘর আজা’। কার উদ্দেশ্যে এ কথা বলেছিলেন তিনি? উত্তরে গম্ভীর বলেন, ” একবার ধারাভাষ্যের কাজে ব্যস্ত থাকার জন্য পরিবেশ দূষণ নিয়ে একটি সভায় হাজির হতে পারিনি আমি। তখন আপনারাই প্রশ্ন তুলেছিলেন এরকম মন্ত্রী থাকা উচিৎ কি না! এখন দিল্লিতে জল জমার সময় দেখুন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কোথায় রয়েছেন। পুরো দিল্লি ডুবে যাচ্ছে তিনি কোথায়?”

কেন ধারাভাষ্যকারের কাজ করেন গম্ভীর? উত্তরে যা বললেন শ্রদ্ধায় মাথা নত হতে বাধ্য! রইল ভিডিও
কেন ধারাভাষ্যকারের কাজ করেন গম্ভীর? উত্তরে যা বললেন শ্রদ্ধায় মাথা নত হতে বাধ্য! রইল ভিডিও

এরপর সাংবাদিককে গম্ভীর আরও বলেন, “আমার ধারাভাষ্য দেওয়ার বিষয়ে আপনি প্রশ্ন তুলেছিলেন। সেই প্রসঙ্গে বলি, আমি ধারাভাষ্যকার হিসেবে কাজ করি এই কারণে যাতে ১ টাকার বিনিময়ে প্রতিদিন ৩০০০ মানুষকে খাওয়াতে পারি। করোনাকালীন পরিস্থিতিতে যাতে প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০ হাজার কিট বিতরণ করতে পারি। আরও বললে আমি এই কাজ করি যাতে পরলোকগত সেনাবাহিনী এবং যৌনকর্মীর ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের পড়াতে পারি। ঠিক এই কারণগুলোর জন্যই আমি ধারাভাষ্যকারের কাজ করি। কারণ, অন্যের টাকা নিয়ে যে কেউই কাজ করতে পারেন। কিন্তু আমার লক্ষ্য, নিজে পরিশ্রম করে জনসাধারণের মুখে হাসি ফোটানো। জনগণের টাকায় সুখ ভোগ করার মানসিকতা আমার নেই।”

কেন ধারাভাষ্যকারের কাজ করেন গম্ভীর? উত্তরে যা বললেন শ্রদ্ধায় মাথা নত হতে বাধ্য! রইল ভিডিও
কেন ধারাভাষ্যকারের কাজ করেন গম্ভীর? উত্তরে যা বললেন শ্রদ্ধায় মাথা নত হতে বাধ্য! রইল ভিডিও

উল্লেখ্য, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বা ধারাভাষ্যকার হিসেবে কাজের বাইরেও মানুষের স্বার্থে কাজ করতে ভোলেননি গম্ভীর। বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গে তিনি নিয়মিত যুক্ত থাকেন৷ গত বছরের ডিসেম্বর মাসেই পূর্ব দিল্লির গান্ধীনগরের কৈলাস কলোনী বাস স্টপে চালু হয়েছে তাঁর প্রথম ক্যান্টিন। নাম ‘জন রসোই ক্যান্টিন’। সেখানেই মাত্র ১ টাকার বিনিময়ে মিলছে ভাতের থালি। প্রতিদিন প্রায় তিন হাজার দুঃস্থ মানুষের মুখে খাবার তুলে দেয় ওই ক্যান্টিন। ইতিমধ্যেই প্রায় ৫০ হাজারেরও বেশি অভুক্ত মানুষের সম্বল হয়ে দাঁড়িয়েছে সেটি। জানা গিয়েছে, প্রকল্পটির জন্য কোনওরকম সরকারি অনুদানই নেওয়া হচ্ছে না। বরং তা গড়ে উঠেছে গৌতম গম্ভীর ফাউন্ডেশন এবং সাংসদের ব্যক্তিগত আর্থিক অনুদানেই। আর এই অর্থ যোগানের জন্যই ধারাভাষ্যকার হিসেবে কাজ করে যেতে দেখা যায় গৌতম গম্ভীরকে।