বড় খবর! নারদা-কাণ্ডে গ্রেপ্তার ফিরহাদ, সুব্রত, মদন ও শোভনের অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করল আদালত

বড় খবর! নারদা-কাণ্ডে গ্রেপ্তার ফিরহাদ, সুব্রত, মদন ও শোভনের অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করল আদালত
বড় খবর! নারদা-কাণ্ডে গ্রেপ্তার ফিরহাদ, সুব্রত, মদন ও শোভনের অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করল আদালত

নারদা-কাণ্ডে তৃণমূলের স্বস্তি। অন্যদিকে, জোর ধাক্কা সিবিআই দপ্তরে। নারদা-কাণ্ডে অভিযুক্ত ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র ও সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও শোভন চট্টোপাধ্যায়ের জামিন মঞ্জুর করল স্পেশাল সিবিআই আদালত। ধৃত চার নেতা-মন্ত্রীকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানোর আবেদন জানিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তবে সেই আবেদন নাকচ করে আদালত। বিচারপতি অনুপম মুখোপাধ্যায় ৪ জনের অন্তর্বর্তী জামিন মকুব করেছেন। ৫০ হাজার টাকার বন্ডে ৪ জনকেই জামিন দেওয়া হয়েছে।

সোমবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে চলে শুনানি। বর্তমান করোনাকালীন পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই ভার্চুয়াল শুনানি হয়। ধৃতদের পক্ষে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে, ধৃত ৪ জনকে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানান সিবিআই পক্ষের আইনজীবী। ৪ জনকে কেন হেফাজতে নিতে চান? এই প্রশ্নও তোলেন বিচারপতি। সিবিআই-এর আইনজীবী যুক্তি দেন, ধৃতরা বাইরে বেরিয়ে প্রমাণ লোপাট করে দিতে পারে। তাঁরা প্রভাবশালী তাই বাইরে তাঁরা প্রভাব খাটাতে পারেন। শুনানির শেষ মুহূর্তে আদালতে মোট ৫ জনের নামে চার্জশিটও পেশ করে সিবিআই। সুব্রত, মদন, শোভন, ফিরহাদ ছাড়াও প্রাক্তন পুলিশ কর্তা মির্জার নাম রয়েছে এই চার্জশিটে।

এদিকে রাজ্যের কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য পুরসভার চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিমকে এই মুহূর্তে প্রয়োজন বলে পালটা যুক্তি তোলেন কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও বিধানসভার অধ্যক্ষের অনুমতি ছাড়া কীভাবে গ্রেপ্তার করা হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি৷ তিনি বলেন, “এই গ্রেপ্তারি অবৈধ।” রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়েও আঙুল তোলা হয়। এমনকি কোভিড পরিস্থিতিতে গ্রেপ্তারি নিয়ে সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের রায়ের প্রসঙ্গও টানা হয়। সবমিলিয়ে অবশেষে সিবিআই-এর আবেদন খারিজ করে দেন আদালতের বিচারপতি৷ ধৃত ৪ জনের অন্তর্বর্তী জামিনও মঞ্জুর করেন।

যদিও এও রায় নিয়ে মোটেও খুশি নন সিবিআই কর্তারা। সূত্রের খবর, আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টেও যেতে পারে সিবিআই। অন্যদিকে এই রায় নিয়ে খুশি তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। তিনি জানান, “ন্যায় বিচার হয়েছে। আইনের পথেই চলা হয়েছে। সিবিআইয়ের দাবী ভিত্তিহীন।”