ভারতীয় এই বিস্ময়বালক, এক মিনিটে ৫৭১ টা ঘুষি মেরে, গোল্ডেন বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এ তুলেছে নাম!

ভারতীয় এই বিস্ময়বালক, এক মিনিটে ৫৭১ টা ঘুষি মেরে, গোল্ডেন বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এ তুলেছে নাম!
ভারতীয় এই বিস্ময়বালক, এক মিনিটে ৫৭১ টা ঘুষি মেরে, গোল্ডেন বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এ তুলেছে নাম!

বংনিউজ২৪x৭ ডেস্কঃ বিস্ময়বালক, এমন বিশেষণই তাঁর জন্য সঠিক। এই মুহূর্তে তাঁর কীর্তিই ঘুম কেড়েছে ক্রীড়াজগতের! কি করেছে জানেন এই বছর সাতেকের বালক? তাহলেই শুনুন।

হরিয়ানার সোনিপাত জেলার বাসিন্দা, বছর সাতেকের মার্টিন মালিক বক্সিংয়ে নয়া নজির গড়েছে, এই বয়সেই। যার কারণে গোল্ডেন বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এ সে নিজের নাম তুলতে সক্ষম হয়েছে। এক মিনিটে সে ৫৭১ টি বক্সিং পাঞ্চ মেরেছে মার্টিন। আর তার এই রেকর্ড ভাঙতে শুধুমাত্র ভারতীয় কেন, সারা বিশ্বের বহু বক্সারকেই বেগ পেতে হবে বলেই অনেকে মনে করছেন।

হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টর ট্যুইট করে, মার্টিন মালিকের নয়া কৃতিত্বের জন্য তাকে শুভেচ্ছা এবং আশীর্বাদ জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, এটাই প্রথমবার নয়, এই নতুন রেকর্ড গড়ার মাত্র দু’মাস আগেই, মার্টিন ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসেও নিজের নাম লিখিয়েছিল। আবার তারপরেই এশিয়া বুক অফ রেকর্ডসে নিজেকে তালিকাভুক্তও করে সে। কিন্তু এবার সব অতীত রেকর্ডসকে ছাপিয়ে এক মিনিটে ৫৭১ টি বক্সিং ঘুষি মেরে ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের জগতে পা রাখল এই বিস্ময়বালক।

এ প্রসঙ্গে মার্টিন মালিকের বাবার বক্তব্য, লকডাউনের সময়টাকে কাজে লাগিয়ে মার্টিন নিরন্তর কঠোর অনুশীলন করে গেছে। যার ফল সে পেয়েছে হাতেনাতে। মার্টিন মালিকের এই রেকর্ডস ভাঙা ভবিষ্যতে খুব একটা সহজ হবে না বলেও তিনি মনে করছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন যে, লকডাউনের সময়, তাঁর ছেলের মনে হচ্ছিল, সে কোনও কয়েদখানায় বন্দী। আর সেই কারণেই তিনি মার্টিনকে গ্লাভস এনে দেন। ধীরে ধীরে মার্টিন অনুশীলন শুরু করে।

এরপর মার্টিনের বাবা পুরো সেট নিয়ে আসেন ছেলের জন্য। প্রত্যেকবার ঘুষি মারার গতি ক্রমশ বাড়াচ্ছিল মার্টিন। এভাবেই কঠোর অনুশীলনের জেরে, একের পর এক নিজের রেকর্ডস ভাঙতে ভাঙতেই আজ সে এই জায়গায় পৌঁছেছে।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.