যশ প্রভাব না ফেললেও ভরা কোটালে ভাসতে পারে মহানগরী

যশ প্রভাব না ফেললেও ভরা কোটালে ভাসতে পারে মহানগরী
যশ প্রভাব না ফেললেও ভরা কোটালে ভাসতে পারে মহানগরী

কলকাতায় ঘূর্ণিঝড় যশের তেমন কোন প্রভাব পড়বে না বলে আগেই জানিয়েছিল আবহাওয়া দপ্তর। তবে বৃহস্পতিবারও শহরের একাধিক অংশে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত হবে বলেও পূর্বাভাস জারি করেছিল হাওয়া অফিস। সেই মতেই এদিন সকাল থেকে শুরু হয়েছে ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি। তবে শুধু বৃষ্টি নয় শহর কলকাতা জন্য আরও সতর্কবার্তা জারি করেছে আবহাওয়াবিদরা।

হাওয়া সূত্রে খবর, গতকালের মতো বৃহস্পতিবার সকালে ভরা কোটাল রয়েছে। যার জেরে দুপুর ২.০৩ মিনিটে জলস্তর উঠে যাবে প্রায় ১৮ ফুট। ফলে কলকাতার একাংশ জোয়ারের জলে ভাসা সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে কলকাতা পুরসভার তরফে আগেই জানানো হয়েছিল ভরা কোটাল থাকার কারণে শহরের লোকগুলিকে বেলা সাড়ে ১১ টা থেকে চারটে পর্যন্ত বন্ধ রাখা হবে।

এদিকে লকেট বন্ধ থাকার কারণে শহরতলীর একাংশের জল জমে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে কলকাতা পুরসভার সংশ্লিষ্ট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক মন্ডলীর সদস্য তারক সিং জানান, লক গেট খুলে দিলেই জল নেমে যাবে। একইসঙ্গে শহর কলকাতা কে জল মুক্ত করার জন্য বিভিন্ন পাম্পিং স্টেশন এর যাবতীয় ব্যবস্থা করে রাখা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

অন্যদিকে কাল কালীঘাটে মুড়িগঙ্গার জল ঢুকে জলমগ্ন হয়ে পড়ে মন্দির সংলগ্ন এলাকা। যদিও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরানোর কাজ কতটা হয়েছে তা অবশ্য এখনও জানা যায়নি। মন্দির কতৃপক্ষ এ ব্যাপারে কি সিদ্ধান্ত নেবেন তা ও সময়েরই অপেক্ষা। মন্দিরের গর্ভগৃহে জল ঢুকেছে কিন তাও জানা যায়নি।জল না কমলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে না বলেই সূত্রের খবর।

বৃহস্পতিবার হাওয়া অফিসের সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, ক্রমশই শক্তি ক্ষয় করে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে ঘূর্ণিঝড় যশ। পরবর্তী ছয় ঘন্টা আরও শক্তি হারাবে এই ঘূর্ণিঝড়। তবে কলকাতা সহ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তাই পশ্চিমের জেলাগুলিতে জারি করা হয়েছে কমলা সর্তকতা। এমনকি কলকাতার বেশ কিছু অংশে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, বীরভূম, মুর্শিদাবাদে ৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।