গোপনাঙ্গে লঙ্কা ঢুকিয়ে নাবালিকার ওপর পাশবিক অত্যাচার! অভিযোগের তীর হোম কর্তৃপক্ষের দিকে

গোপনাঙ্গে লঙ্কা ঢুকিয়ে নাবালিকার ওপর পাশবিক অত্যাচার! অভিযোগের তীর হোম কর্তৃপক্ষের দিকে / নিজস্ব ছবি
গোপনাঙ্গে লঙ্কা ঢুকিয়ে নাবালিকার ওপর পাশবিক অত্যাচার! অভিযোগের তীর হোম কর্তৃপক্ষের দিকে / নিজস্ব ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদনঃ নাবালিকার ওপর পাশবিক অত্যাচারের অভিযোগ উঠল দমদমের এক হোম কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। উত্তর ২৪ পরগনার দমদমের দুর্গানগর অঞ্চলের ‘প্রথম সূর্য’ নামে একটি হোমে ঘটে ঘটনাটি৷ নাবালিকাকে গায়ে গরম জল ঢেলে মারধর করা হতো বলে অভিযোগ। এমনকি গোপনাঙ্গে লঙ্কাও ঢুকিয়ে দেওয়া হতো। ঘটনার জেরে হোমের মালিক এবং তার স্ত্রীকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগণার ক্যানিং থানার তালদি অঞ্চলের কৃষ্ণকালী কলোনির বাসিন্দা ভোলা হালদার ও তার স্ত্রী সোনা হালদার মারা যাওয়ার পর বেশ একা হয়ে পড়ে তাঁদের নাবালিকা দুই কন্যা। মা-বাবা মারা যাওয়ার পর নাবালিকা দুই বোনকে মাত্র কয়েকমাস আগেই দমদমের হোমটিতে ভর্তি করে দেন মাসি বিজয়া বিশ্বাস ও মেসোমশাই অমিত বিশ্বাস। গতকাল হোম কর্তৃপক্ষ থেকে বিশ্বাস দম্পতিকে খবর পাঠানো হয়, বৃহস্পতি নামে তাঁদের এক কন্যা অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাঁরা সেখানে গিয়ে দেখেন যে নাবালিকা কন্যাটির সারা শরীরে ফোসকা এবং সে কাটাছেঁড়া অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

নাবালিকাটিকে এরপর উদ্ধার করে ক্যানিং নিয়ে আসা হয়৷ অবস্থার অবনতি দেখে তাকে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। আহত পায়ে প্লাস্টারও করা হয়েছে। এরই মধ্যে আহত নাবালিকা এবং তার পরিবারের দাবি, হোমের মালিক এবং তাঁর স্ত্রী মিলে অত্যাচার করতেন কন্যাটির ওপর। তার সারা শরীরে গরম জল ঢেলে দেওয়া থেকে শুরু করে তাকে মারধরও করা হতো। গোপন অঙ্গে লঙ্কা ঢুকিয়ে পৈশাচিক অত্যাচারও চালানো হতো বলে দাবি করেছেন তাঁরা। খবর পেয়ে হোমের মালিক প্রদ্যুৎ চৌধুরী ও তার স্ত্রী সোমা চৌধুরীকে আটক করেছে দমদম থানার পুলিশ। আজ তাঁদের আদালতে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে৷

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.