আইসিএসই-আইএসই বোর্ডের দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষায় বলবৎ হাইব্রিড মডেল

আইসিএসই-আইএসই বোর্ডের দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষায় বলবৎ হাইব্রিড মডেল
আইসিএসই-আইএসই বোর্ডের দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষায় বলবৎ হাইব্রিড মডেল/ প্রতীকী ছবি

করোনায় দীর্ঘদিন বন্ধ স্কুল। তাই বাড়িতে বসে অফলাইনেই পরীক্ষা দিতে হচ্ছে পড়ুয়াদের। কিন্তু এতে ঠিকমতো নিজেদের মেধা প্রকাশ পাচ্ছে না বলে মনে করছেন অভিভাবকদের একাংশ। এমনকি বাড়ি বসে পরীক্ষা দিয়ে পাস করার পেছনে একটা গ্লানি কাজ করছে তাদের। তাই এবার হাইব্রিড মডেলে পরীক্ষা নেয়ার কথা জানিয়েছে আইসিএসসিই বা কাউন্সিল ফর দ্য ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেট এক্সামিনেশন।

বুধবার এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই সংস্থা জানিয়েছে, একে পরীক্ষার্থীরা চাইলে পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষা দিতে পারবে। তবে সেন্টারে বসে পরীক্ষা দিতে হলে অভিভাবকদের সম্মতি পত্র জমা দিতে হবে। এক্ষেত্রে সর্তকতা এবং পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের ইচ্ছাই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। প্রথমে আইসিএসই এবং আইএসই বোর্ড-এর দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণীর ক্ষেত্রে এই নিয়ম বলবৎ হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, নভেম্বর থেকে ডিসেম্বর এর মধ্যে প্রথম সেমিস্টারের পরীক্ষা নিতে হবে এক্ষেত্রে। এছাড়াও পড়ুয়ারা কোথায় বসে পরীক্ষা দেবে সে সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য ১৮ অক্টোবরের মধ্যে স্কুলগুলিতে পাঠাতে হবে। এছাড়াও ১২ অক্টোবরের মধ্যে বাফার প্রক্টর, প্রক্টর এবং আইটি সাপোর্ট এক্সিকিউটিভ এর নাম গুলি স্কুলগুলোকে পাঠাতে হবে সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে।

অন্যদিকে অনলাইন পরীক্ষার ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীরা কিভাবে পরীক্ষা দিচ্ছেন সে জন্য সিসিটিভি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পড়ুয়াদের আপাদমস্তক যাতে ভালভাবে দেখা যায় সে বিষয়ে নিশ্চিত করতে হবে পরীক্ষার প্রক্টরকে। এছাড়াও পরীক্ষার্থী কোথায় বসে পরীক্ষা দিচ্ছেন, তিনি তাঁর আসন ছেড়ে উঠছেন কিনা, উঠলেও কতবার উঠছেন সেই সমস্ত বিষয় বিশেষ নজরদারি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ছাড়াও প্রত্যেক স্কুলকে ২৫ ও ৫০ জন একজন করে প্রক্টর ও বাফার প্রক্টর নিয়োগ করতে বলা হয়েছে। ছাড়াও ১০০ জন পড়ুয়া পিছু একজন করে আইটি সাপোর্ট এক্সিকিউটিভকে সতর্ক থাকতে হবে বলেও জানানো হয়েছে।