এবার বাড়িতে বসেই করতে পারবেন করোনা পরীক্ষা! নয়া কিটে ছাড়পত্র ICMR-এর

এবার বাড়িতে বসেই করতে পারবেন করোনা পরীক্ষা! নয়া কিটে ছাড়পত্র ICMR-এর
এবার বাড়িতে বসেই করতে পারবেন করোনা পরীক্ষা! নয়া কিটে ছাড়পত্র ICMR-এর

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ গোটা দেশ করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিপর্যস্ত। স্বাস্থ্য ব্যবস্থা বড় সংকটের মুখোমুখি। সংক্রমণ ক্রমাগত বাড়তে থাকায়, হাসপাতালে বেডের সমস্যা, অক্সিজেনের অভাব, প্রয়োজনীয় ওষুধের অভাব এখনও বর্তমান।

এর মধ্যে কোথাও কোথাও আবার করোনা পরীক্ষার জন্য বিশাল লাইন, অব্যবস্থা লক্ষ করা যাচ্ছে। পরীক্ষা করা গেলেও, সেই পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে আসতে অনেকটা সময় লেগে যাচ্ছে। এর জেরে পিছিয়ে যাচ্ছে চিকিৎসা ব্যবস্থা। কাজেই বহু ক্ষেত্রেই পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বড় পদক্ষেপ নিল আইসিএমআর (ICMR)। র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট বা RATs কিটে ছাড়পত্র দিল সংস্থা।

এর ফলে এবার থেকে বাড়িতে বসেই করতে পারবেন করোনা পরীক্ষা। বুধবার এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, শুধুমাত্র উপসর্গ রয়েছে বা করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে এসেছেন, এমন ব্যক্তিদের জন্যই র‍্যাট কিট ব্যবহার করতে বলা হচ্ছে।

আইসিএমআর-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, র‍্যাট কিট ব্যবহার করতে গেলে প্রথমে গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপেল প্লে স্টোর থেকে ‘কোভিশেল্ফ’ অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে। এরপর ফোন নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করাতে হবে। ওষুধের দোকানে এই রেজিস্ট্রেশন দেখিয়ে কিনতে হবে র‍্যাট কিট। এক্ষেত্রে কোনও প্রেসক্রিপশন লাগবে না।

এরপর র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন কিটের টেস্টিং স্ট্রিপের মাধ্যমে নাক এবং মুখ থেকে লালারস সংগ্রহ করতে হবে। এক্ষেত্রে ১৮ বছরের নীচে যারা, তাঁদের এই লালারস সংগ্রহ করতে সাহায্য করবেন প্রাপ্তবয়স্করা। লালারস সংগ্রহ করা হয়ে গেলে, অ্যাপের মাধ্যমে স্ট্রিপের একটি ছবি তুলতে হবে। সেই ছবি সরাসরি পৌঁছে যাবে আইসিএমআরের সার্ভারে। এই পুরো প্রক্রিয়া সঠিকভাবে ধাপেধাপে সম্পূর্ণ হলেই, আপনার হাতে চলে আসবে করোনার রিপোর্ট। কিছু সময়ের ব্যবধানেই আপনি জানতে পারবেন যে, আপনি বা আপনার পরিজন করোনা আক্রান্ত কিনা।

জানা গিয়েছে যে, পুনের মাইল্যাব ডিসকভারি সলিউশন এই কিটটি তৈরি করেছে। যে হারে দেশে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এই কিট যে আগামী দিনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করবে, তা বলাই বাহুল্য। চিকিৎসকদের মতে, এর ফলে আগে থেকেই করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা করা সম্ভব হবে। আক্রান্তের শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে। ফলে, বিপদের সম্ভবনাও অনেকটাই কমে আসবে। তাছাড়া এই কিট-এর কারণে করোনা পরীক্ষা করার খরচও অনেকটাই কমে আসবে।