ডিসেম্বরের শুরুতেই ফের সাইক্লোনের ভ্রূকুটি! কী বলছে মৌসম ভবন?

ডিসেম্বরের শুরুতেই ফের সাইক্লোনের ভ্রূকুটি! কী বলছে মৌসম ভবন?
ডিসেম্বরের শুরুতেই ফের সাইক্লোনের ভ্রূকুটি! কী বলছে মৌসম ভবন?/ প্রতীকী ছবি

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ আবারও সাইক্লোন! তেমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছে কেন্দ্রীয় মৌসম ভবন। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকেই একটি নিম্নচাপ ঘূর্ণাবর্তে পরিণত হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে মৌসম ভবন। আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, বঙ্গোপসাগর এবং দক্ষিণ আন্দামান সাগরের উপর একটি নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ২৯ নভেম্বর, সোমবারই সেই ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হবে বলে উপগ্রহ চিত্রে দেখা গিয়েছে। আর তা ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা তৈরি করছে বলেও পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতরের। জানা গিয়েছে, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ওই ঘূর্ণাবর্তের প্রভাব পড়তে পারে অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে।

জানা গিয়েছে, সোমবার থেকে নিম্নচাপ অক্ষরেখাটি ক্রমশ শক্তি বাড়তে পারে। এরপর পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় তা আরও শক্তিশালী হয়ে পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিম দিকে এগোতে থাকবে। এই নিম্নচাপের জেরে আগামী ৩০ নভেম্বর ও ১ ডিসেম্বর আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই নিম্নচাপের প্রভাবে বাংলার জেলাগুলির উপর কতোটা প্রভাব পড়বে, তা অবশ্য এখনও স্পষ্ট করেনি হাওয়া অফিস। এদিকে, অক্টোবর নভেম্বরে বঙ্গোপাগরের উপর ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়াটা স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন আবহাওয়াবিদেরা।

আবহাওয়া দফতরের দেওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৯ নভেম্বর থেকে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে উপকূলবর্তী এলাকায়। ২৯ নভেম্বর দক্ষিণ আন্দামান সাগরে প্রতিঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে। ৩০ নভেম্বর আন্দামান সাগর ও সংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে এবং ১ ডিসেম্বর পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং আন্দামান সাগরে ঝড়-ঝঞ্ঝার পূর্বাভাস রয়েছে।

অন্যদিকে, দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে গত এক সপ্তাহে প্রবল বৃষ্টি হয়েছে। গত ২৭ নভেম্বর সকালে চেন্নাই শহরে ১০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এ মাসে চেন্নাইতে মোট বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৯৮ সেন্টিমিটার।

মৌসম ভবনের পূর্বাভাস দিয়েছে যে ২৮ নভেম্বর চেন্নাইয়ের উত্তর উপকূলবর্তী জেলা ও পুদুচেরিতে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। নভেম্বর শেষ হতে আর মাত্র তিনদিন বাকি আর এরই মধ্যে আরও বৃষ্টির পূর্বাভাস। এভাবে ক্রমাগত বেড়ে চলা বৃষ্টির পরিমাণ চিন্তার ভাঁজ ফলছে পরিবেশ বিজ্ঞানীদের কপালে। তাঁরা মনে করছেন এটি বিশ্ব উষ্ণায়নেরই ফল।