জীবন বাজি রেখে রেললাইনের ধারে স্টান্ট! ট্রেনের ধাক্কায় মর্মান্তিক পরিণতি যুবকের! রইল ভিডিও

জীবন বাজি রেখে রেললাইনের ধারে স্টান্ট! ট্রেনের ধাক্কায় মর্মান্তিক পরিণতি যুবকের! রইল ভিডিও
জীবন বাজি রেখে রেললাইনের ধারে স্টান্ট! ট্রেনের ধাক্কায় মর্মান্তিক পরিণতি যুবকের! রইল ভিডিও

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার জন্য আজকাল মানুষ কত কিছুই না করে বসেন! নিজের জীবন বাজি রেখে স্টান্ট ভিডিও বানাতেও দু’বার ভাবেন না আজকের যুব সমাজ। তবে তবে সম্প্রতি এক যুবক যা করেছেন, তা রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছে নেটমাধ্যমে। ঘটনাটি দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন নেটিজেনরা।

ভয়ঙ্কর ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের হোশাঙ্গাবাদ জেলায়, ইতারসি-নাগপুর রেল রুটে৷ সেখানে রেল লাইনের ধারে স্টান্ট ভিডিও শ্যুট করতে গিয়েই মর্মান্তিক পরিণতি হল এক যুবকের। ভিডিও শ্যুট করে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করে নেটিজেনদের চমকে দেওয়াই ছিল যুবকটির উদ্দেশ্য। কিন্তু তা আর পূর্ণ হল না। তার আগেই ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু হল ওই যুবকের। ওই দুর্ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।

জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটে সোমবার বিকেলে৷ ভাইরাল ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, রেল লাইন দিয়ে যখম ট্রেন আসছে তখনই তার সামনে ক্যামেরার সামনে পোজ দিতে ব্যস্ত একজন বছর বাইশের যুবক। তাঁর সঙ্গে ছিলেন আরেক বন্ধুও। দু’জনের মনেই যেন কোনও ভয় বা আতঙ্ক নেই। সব কিছু ভুলে দুঃসাহসিক ভিডিও বানাতেই ব্যস্ত তাঁরা। এদিকে সেসময়ই একদম কাছে এসে যায় ট্রেনটি। ট্রেনের চালক বহুবার হর্ন দিয়ে সতর্ক করলেও কোনও লাভ হয়নি৷ ফলে যা হওয়ার তাই হল৷ ট্রেনে সামনে আসতেই তার ধাক্কায় কয়েক ফুট দূরে ছিটকে পড়ে যান ভিডিও বানাতে ব্যস্ত ওই যুবক। অন্য যুবকটিও আহত হন।

এরপর গুরুতর আহত অবস্তায় প্রথম যুবকটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি৷ যুবকটিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত যুবকের নাম সঞ্জু চৌরে। সেদিন বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে ওই যুবক ভিডিও শ্যুট করতে গিয়েছিলেন শারাদ্দেভ বাবা এলাকায়। তখনই ঘটে এই মারাত্মক দুর্ঘটনা। আর ওই ঘটনার ভিডিও নিয়ে এখন শোরগোল সোশ্যাল মিডিয়ায়।

প্রসঙ্গত, ইন্টারনেটে বিখ্যাত হওয়ার জন্য দিনের পর দিন এই জাতীয় বিপজ্জনক ক্রিয়াকলাপ বেড়েই চলেছে। প্রায়ই কিছু না কিছু ভয়ঙ্কর স্টান্ট দেখিয়ে বিখ্যাত হতে চাইছেন কিশোর থেকে যুবক কিছু মানুষ। কিন্তু তা অত্যন্ত বিপজ্জনক। এর ফলে ঘটছে নানা দুর্ঘটনা বা মৃত্যুও। তাই এই ধরনের স্টান্ট করা থেকে বারবার বিরত থাকার অনুরোধ করা হয় সাধারণ মানুষকে। কিন্তু কে শোনে কার কথা! ফলে, বিপদ ঘটতেও বিশেষ সময় নেয় না।