ব্যবহৃত মাস্ক দিয়েই তৈরি হচ্ছে বিছানার গদি, তোষক! অজান্তেই বেডরুমে ঢুকে পড়ছে নিশ্চিত বিপদ!

ব্যবহৃত মাস্ক দিয়েই তৈরি হচ্ছে বিছানার গদি, তোষক! অজান্তেই বেডরুমে ঢুকে পড়ছে নিশ্চিত বিপদ!
ব্যবহৃত মাস্ক দিয়েই তৈরি হচ্ছে বিছানার গদি, তোষক! অজান্তেই বেডরুমে ঢুকে পড়ছে নিশ্চিত বিপদ!

দেশে আছড়ে পড়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। ফের হুহু করে বাড়ছে করোনা। এই অবস্থায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশ কয়েকটি বিধিনিষেধ জারি করেছে সরকার। বিশেষ করে টিকাকরণ ও করোনা নিয়ম বিধি মানার ওপরেই জোর দিচ্ছে কেন্দ্র। পাশাপাশি মাস্ক ব্যবহারও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আর এই মাস্ক নিয়েই সম্প্রতি এমন তথ্য সামনে এল, যা শুনলে রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে উঠতে হয়!

তুলো বা নারকেল ছোবড়া নয়, বরং ব্যবহার করা মাস্ক দিয়ে তৈরি হচ্ছে বিছানার তোষক, গদি। দোকানেও দেদার বিকোচ্ছে তা। সেখান থেকেই তা সোজা চলে আসছে বেডরুমে। ফলে অজান্তেই বেডরুমে ঢুকে পড়ছে নিশ্চিত বিপদ! মহারাষ্ট্রের জলগাঁওয়ের একটি কারখানাতেই চলে এই ভয়াবহ কাণ্ড-কারখানা। যা প্রকাশ্যে আসতেই এলাকা জুড়ে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

সম্প্রতি গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সেখানে হানা দিয়েছিল পুলিশ। সেখানে গিয়েই দেখা যায়, নোংরার স্তূপের মতো পড়ে রয়েছে ব্যবহৃত সব মাস্ক। আর তা দিয়েই গদি তৈরি হচ্ছে। তুলো বা নারকেল ছোবড়া নয়, গদির ভেতরে ভরে দেওয়া হচ্ছে সেই ব্যবহৃত মাস্ক গুলিই। তা দেখেই করোনা বিধি মেনে মাস্কের স্তূপে আগুন জ্বালিয়ে দেয় পুলিস। গ্রেপ্তার করা হয়েছে কারখানার মালিককেও।

ইতিমধ্যেই কারখানার মালিক আমজাদ আলি মনসুরির বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এই চক্রের সঙ্গে আর কে বা কারা যুক্ত তারও সন্ধান করছে পুলিশ। এই প্রসঙ্গে আমজাদকে জেরা করাও চলছে। অ্যাডিশনাল পুলিশ সুপার চন্দ্রকান্ত গওয়ালি জানিয়েছেন, “গোটা ঘটনাটির তদন্ত জারি রয়েছে।”