শীতলকুচিতে মৃতের পরিবারের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলে পরিবারের সব দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাস মমতার

শীতলকুচিতে মৃতের পরিবারের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলে পরিবারের সব দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাস মমতার
শীতলকুচিতে মৃতের পরিবারের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলে পরিবারের সব দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাস মমতার

বংনিউজ২৪x৭ ডেস্কঃ রাজ্যে শুরু হয়ে গেছে ভোট যুদ্ধ। সম্পন্ন হয়েছে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ দফার ভোট প্রক্রিয়া। বাকি রইলো আর ৫ দফার ভোট। রাজ্যের শাসক দলে কে আধিপত্ত বিস্তার করবে তা নিয়ে চলছে রাজনৈতিক বিরোধ। অন্যদিকে নির্বাচন ঘিরে উত্তপ্ত রাজ্য-রাজনীতি। গতকাল চতুর্থ দফার ভোটে সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে অশান্তি এবং রক্তপাতের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। তারমধ্যে অন্যতম শীতলকুচির মর্মান্তিক ঘটনা। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। আর এদিন শীতলকুচিতে মৃতের পরিবারের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেন তিনি। সঙ্গে নিহত পরিবারের সব দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী।

প্রসঙ্গত গতকালের চতুর্থ দফার ভোটে সবথেকে মর্মান্তিক ঘটনা হল কোচবিহারের শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে ৪ জন যুবকের মৃত্যু। বিনা প্ররোচনায় গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এই ঘটনায় মৃত সকলেই তাঁদের দলের সক্রিয় কর্মী। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকেও এই ঘটনার কথা স্বীকার করে বলা হয়েছে যে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতেই ওই যুবকদের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে আরও কয়েকজন। তবে এরই সাথে নির্বাচন কমিশন জানান, জওয়ানরা নিজেদের আত্মরক্ষার জন্য গুলি চালিয়েছিলেন।

অন্যদিকে গতকাল রাতে নির্দেশিকা জারি করে কমিশন জানিয়ে দেয়, কোচবিহারে ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হয়ে গেছে। আগামী ৭২ ঘন্টা ওই জেলার ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে জাতীয় বা আঞ্চলিক বা কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীদের ঢুকতে দেওয়া হবে না। আর সেকারণেই আজ মুখ্যমন্ত্রীর কোচবিহার যাওয়ার কর্মসূচি বাতিল হয়। তবে তিনি সেখানে গিয়ে নিহতদের পাশে দাঁড়াতে না পারলেও আজ শিলিগুড়ির সাংবাদিক বৈঠক থেকে কালো পোষাকে ঘটনার প্রতিবাদ জানান তিনি। এরই সঙ্গে ভিডিও কলে নিহতদের পরিজনদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি তাঁর সবকিছু দিয়ে সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেন নিহতদের পরিবারকে। এমনকি ১৪ তারিখ নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করার কথাও দেন তিনি। এছাড়া এদিন মুখ্যমন্ত্রী কমিশন কে নিশানা করে অভিযোগ করেন,গণহত্যা চালানো হয়েছে শীতলকুচিতে। বাহিনীরা বুক লক্ষ্য করেই গুলি চালিয়েছে। আর এই ঘটনার তথ্য চাপা দিতেই কোচবিহারে প্রবেশে বাধা কমিশনের, এমনই অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.