শনিবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৩

‘এই জয়ের জন্য জনগণকে নতমস্তকে প্রণাম জানাই’! গুজরাটের জনগণকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন মোদীর

আত্রেয়ী সেন

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৮, ২০২২, ১১:৪৩ পিএম | আপডেট: ডিসেম্বর ৮, ২০২২, ১১:৪৩ পিএম

‘এই জয়ের জন্য জনগণকে নতমস্তকে প্রণাম জানাই’! গুজরাটের জনগণকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন মোদীর
‘এই জয়ের জন্য জনগণকে নতমস্তকে প্রণাম জানাই’! গুজরাটের জনগণকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন মোদীর

বংনিউজ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ ফের গুজরাটে গেরুয়া ঝড়, যে ঝড়ে কার্যত উড়ে গেল বিরোধীরা। গুজরাটে বিধানসভা নির্বাচনে রেকর্ড গড়েছে বিজেপি। টানা সপ্তমবারের জন্য ক্ষমতায় ফিরল বিজেপি মোদীর রাজ্যে। এই জয়ের পরে জনগণকে শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

যদিও হিমাচলে হেরেছে বিজেপি। হিমাচলে ‘রাজ’ বদলানোর ধারা বজায় থাকল। সেখানে এবার বিজেপিকে সরিয়ে কংগ্রেস ক্ষমতায়। এই পরিস্থিতিতে দলীয় কর্মীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র গুজরাটের মানুষকে ধন্যবাদ জানান। সেই সঙ্গে এও জানিয়ে দিলেন যে, হিমাচলের পরাজয়ের পরও কেন্দ্র সরকার একইভাবে সেই রাজ্যের পাশে থাকবে। মোদী আশ্বাসের সুরে বলেন, ‘হিমাচলে আমরা সামান্য পিছিয়ে আছি। কিন্তু হিমাচলের উন্নয়নে কেন্দ্রের উদ্যোগে কোনও খামতি থাকবে না।’

এদিকে, লোকসভা ভোটের এখনও ২ বছর বাকি। বছর শেষে বিধানসভা ভোট অনুষ্ঠিত হল গুজরাটে। সঙ্গে হিমাচল প্রদেশেও। মোদীর গড়ে ফের ক্ষমতায় বিজেপি। অন্যদিকে, জোর লড়াইয়ের পরেও হিমাচলে ক্ষমতা বদলের ধারা অব্যাহত। বিজেপিকে সরিয়ে এবার সেখানে এল হাত শিবির।

এদিন দিল্লিতে দলীয় সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই জয়ের জন্য জনগণকে নতমস্তকে প্রণাম জানাই। জেপি নাড্ডার নেতৃত্বে কঠিন পরিশ্রম করেছেন বিজেপি কর্মীরা। সেই পরিশ্রমের সুবাদ ছড়িয়ে পড়েছে চারিদিকে। গুজরাত, হিমাচল ও দিল্লির জনগণের কাছে কৃতজ্ঞ। নির্বাচন কমিশনকেও ধন্যবাদ। কোথাও পুনর্নিবাচন হয়নি’।

প্রসঙ্গত, গুজরাতে বিধানসভা ভোটে এখনও পর্যন্ত বিজেপির সেরা ফল হয়েছে ২০০২ সালে। সে বছর ১৮২ টি বিধানসভায় ১২৭টি আসনে জিতেছিল গেরুয়াশিবির। এবার সেই রেকর্ড ভাঙল! বিজেপির ঝুলিতে আসতে চলেছে ১৫৬। শুধু তাই নয়, ইতিমধ্যেই ভেঙে গিয়েছে ১৯৮৫-র বিধানসভা ভোটে কংগ্রেসের ১৪৯টি আসনে জয়ে রেকর্ডও।

এদিন প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘গুজরাতে রায়ে আগামিদিনের বার্তা স্পষ্ট। গুজরাত সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। যুব সম্প্রদায়ের কাছে থেকে অভূতপূর্ব সাড়া মিলেছে। তাঁরা বিজেপির উপরই ভরসা রেখেছে। মানুষ পরিবারতন্ত্রের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে’।