ম্যাঞ্চেস্টার টেস্ট শুরুর ঠিক আগেই হোয়াটসঅ্যাপে এই মেসেজ পেয়েছিলেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা!

ম্যাঞ্চেস্টার টেস্ট শুরুর ঠিক আগেই হোয়াটসঅ্যাপে এই মেসেজ পেয়েছিলেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা!
ম্যাঞ্চেস্টার টেস্ট শুরুর ঠিক আগেই হোয়াটসঅ্যাপে এই মেসেজ পেয়েছিলেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা!

বহু টালবাহানার পর অবশেষে বাতিল হয়ে গিয়েছে ভারত-ইংল্যান্ডের পঞ্চম তথা শেষ টেস্ট। করোনার কারণে ম্যাচ বাতিলের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন ভারত এবং ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। শুক্রবার সকালেই দু’পক্ষের আলোচনায় ঠিক করা হয়, ম্যাঞ্চেস্টার টেস্ট আপাতত বাতিল করে দেওয়া হবে। পরে অবশ্য জানা যায়, পরবর্তীতে কোনও সঠিক সময়ে এই ম্যাচ খেলা হতে পারে।

এরপরই অবশ্য উঠে এল আরেক চমকপ্রদ তথ্য। ইএসপিএন ক্রিকইনফো’র একটি রিপোর্ট থেকে জানা যাচ্ছে, ম্যাঞ্চেস্টার ম্যাচ শুরুর আগেই নিজেদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে একাধিক মেসেজ পেয়েছিলেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা৷ যা দেখেই ক্রিকেটার নিশ্চিত হয়ে যান এই ম্যাচ আর হওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এবার প্রশ্ন উঠতে পারে ঠিক কী কী মেসেজ পেয়েছিলেন কোহলি ব্রিগেড?

খবর মিলেছে, হোয়াটসঅ্যাপেই নাকি ম্যাচ বাতিলের বিষয়টি জানানো হয় কোহলি অ্যান্ড কোংকে। প্রথমে একটি মেসেজে লেখা হয়, ‘ম্যাঞ্চেস্টার টেস্ট বাতিল হয়ে গিয়েছে। আপনারা দয়া করে নিজেদের ঘরেই থাকুন। বাইরে বেরোবেন না।’ আবার ঠিক তার পরক্ষণেই মেসেজ ঢোকে, ‘আপনাদের ঘরে ব্রেকফাস্ট দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। আপনারা দয়া করে নীচের রেস্তোরাঁয় এলে খাবার খেয়ে যেতে পারেন।’ আন্দাজ করা যাচ্ছে, ভারতীয় শিবিরের সঙ্গে কথা বলেই হোটেল কর্তৃপক্ষের তরফে এমন মেসেজ পাঠানো হয়।

উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই করোনা আক্রান্ত হয়ে পড়েন দলের হেড কোচ রবি শাস্ত্রী সহ বোলিং কোচ ভরত অরুণ, ফিল্ডিং কোচ আর শ্রীধর ও ফিজিওথেরাপিস্ট নীতিন প্যাটেল। ১৪ দিনের আইসোলেশনে থাকার কারণে দলের সঙ্গে ম্যাঞ্চেস্টার আসা হয়নি তাঁদের। প্রধান ফিজিও ও কোচদের ছাড়াই গত বুধবার সেখানে হাজির হয়েছিলেন কোহলি বিগ্রেড। সেদিনই সন্ধ্যায় গোটা দলের টেস্ট করানো হলে তখন টিমের জুনিয়র ফিজিও যোগেশ পারমারের রিপোর্টও পজিটিভ আসে।

এরপরই বৃহস্পতিবার সকালে দলের বাকি প্রত্যেকের ফের আরটিপিসিআর টেস্ট করানো হয়। একইসঙ্গে প্রত্যেক ক্রিকেটারকে টিম হোটেলে নিজেদের ঘরে নিভৃতবাসেও পাঠানো হয়। এরপর রাতের দিকে করোনা রিপোর্ট এলে জানা যায় টিমের ফিজিও যোগেশ পারমার করোনা পজিটিভ হলেও দলের বাকিরা নেগেটিভ। এরপরই খেলার জোরালো সম্ভাবনা দেখা দিলেও কোনও রকম ঝুঁকি নিতে চায়নি ভারতীয় বোর্ড। পরে তারা স্পষ্ট জানায়, এই পরিস্থিতিতে মাঠে দল নামানো সম্ভব নয়। ফলে শুরু হয় চাপানউতোর। অবশেষে সব দিক আলোচনা করেই বিসিসিআই ও ইসিবির তরফে জানানো হয় ম্যাচ বাতিলই হয়ে গিয়েছে।