শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর, ২০২২

দুষ্কৃতী কার্যকলাপ রুখতে বিশেষ ব্যবস্থা প্রশাসনের! বাংলাদেশে দুর্গাপুজোতে ত্রিস্তরীয় পুলিশি প্রহরা

আত্রেয়ী সেন

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২২, ০১:১০ পিএম | আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২২, ০১:২১ পিএম

দুষ্কৃতী কার্যকলাপ রুখতে বিশেষ ব্যবস্থা প্রশাসনের! বাংলাদেশে দুর্গাপুজোতে ত্রিস্তরীয় পুলিশি প্রহরা
দুষ্কৃতী কার্যকলাপ রুখতে বিশেষ ব্যবস্থা প্রশাসনের! বাংলাদেশে দুর্গাপুজোতে ত্রিস্তরীয় পুলিশি প্রহরা

বংনিউজ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ দুর্গাপুজো শুধু এপার বাংলার নয়, ওপার বাংলাতেও মহাআড়ম্বরে পালিত হয়। কিন্তু বাংলাদেশে সাম্প্রতিকে হিন্দুদের উপরে আক্রমণের বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। সেই কারণে এবার দুর্গাপুজো উপলক্ষে প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশে দুষ্কৃতী কার্যকলাপ রুখতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন। বাংলাদেশে দুর্গাপুজোতে ত্রিস্তরীয় পুলিশি প্রহরা।

জানা গিয়েছে, পুজো উপলক্ষে বাংলাদেশের সব পুজোমণ্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোর এবং মণ্ডপের প্রবেশ পথে মেটাল ডিটেকটর ও আর্চওয়ে গেট স্থাপন করবে বাংলাদেশের পুলিশ। দুর্গাপুজোর আগে , পরে এবং পুজোর দিন তিন স্তরের কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকছে পুলিশ প্রশাসনের তরফে। সোমবার পুলিশ সদর দফতর থেকে পাঠানো এবং সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

সূত্রের খবর, শারদীয় দুর্গাপুজোতে নিরাপত্তা নিয়ে পুলিশের সদর দফতরের পুলিশের মহাপরিদর্শকের উপস্থিতিতে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। উক্ত সভায় পুলিশের আইজিপি বেনজির আহমেদ শারদীয় দুর্গাপুজোতে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্ম কর্তাদের নির্দেশ দেন।

ওই সভায় আইজিপি বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং এ দেশের মানুষের অস্তিত্বের সঙ্গে মিশে আছে। তিনি এই সময় কমিউনিটি পুলিশের সদস্য ও বিট পুলিশ কর্তাদের সংশ্লিষ্ট দুর্গাপুজো উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয় রেখে, পুজোর নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, পূজামণ্ডপে সবসময়ের জন্য স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ, নারী ও পুরুষের জন্য আলাদা প্রবেশ ও বেরবার পথের ব্যবস্থা করা, পূজামণ্ডপ ও বিসর্জনের জায়গায় পর্যাপ্ত আলো, আজান ও নামাজের সময় উচ্চ শব্দে মাইক ব্যবহার না করার জন্য পূজা উদ্যাপন কমিটিগুলিকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। আর যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯ নম্বরে ফোন করার জন্যও অনুরোধ করা হয়েছে বাংলাদেশের পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

সভায় পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এম খুরশীদ হোসেন, বিশেষ শাখার (এসবি) প্রধান (অতিরিক্ত আইজি) মো. মনিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি জে এল ভৌমিক ও সাধারণ সম্পাদক চন্দ্রনাথ পোদ্দার, মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি মনীন্দ্র কুমার নাথ ও সাধারণ সম্পাদক রমেন মণ্ডল, রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের স্বামী কল্পেশানন্দ প্রমুখরা উপস্থিত ছিলেন। এর পাশাপাশি এই সভায় দেশের সব মহানগরের পুলিশের কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও পুলিশ সুপাররা ভার্চুয়ালি যোগ দিয়েছিলেন। বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এবছর সারা দেশে ৩২ হাজার ১৬৮টি মণ্ডপে পূজা উদযাপন হবে।