পুরনো বগির কারণেই কি বিকানের-গুয়াহাটি এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনা আরও ভয়াবহ? উঠছে একাধিক প্রশ্ন

পুরনো বগির কারণেই কি বিকানের-গুয়াহাটি এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনা আরও ভয়াবহ? উঠছে একাধিক প্রশ্ন
পুরনো বগির কারণেই কি বিকানের-গুয়াহাটি এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনা আরও ভয়াবহ? উঠছে একাধিক প্রশ্ন

তখন বিকেল পাঁচটা। কেউ হয়তো সবে ঘুম থেকে উঠেছেন এবার কেউ হয়তো সবে আয়েশ করে চায়ের কাপে চুমুক দিয়েছেন। হঠাৎই প্রবল ঝাঁকুনি। মুহূর্তেই অন্ধকার চারিদিক। ১৫৩৬৬ বিকানের-গুয়াহাটি এক্সপ্রেসের ৭০০ জন যাত্রীর কিছু বুঝে ওঠার আগেই ততক্ষনে লাইনচ্যুত হয়ে গিয়েছে ৬টি বগি। কিন্তু কি কারণে দুর্ঘটনা? পুরনো বগি থাকার কারণেই কি দুর্ঘটনা আরও ভয়াবহ রূপ নিলো? কার্যত এইসব প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে বিভিন্ন মহলে।

সূত্রের খবর, এদিন ট্রেনের গতি ছিল ৪০কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা।তাই এই গতিতে কোনোভাবেই দুর্ঘটনা ঘটার কথা নয়। কিন্তু তারপরেও কিভাবে ট্রেনের কামরা গুলি উল্টে গেল তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। এছাড়াও অত্যাধুনিক বগির ব্যবহার না করাও কি দুর্ঘটনার ভয়াবহতাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে সেই প্রশ্নও উঠছে।

বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশের মতে, এলএইচবি এর মত অত্যাধুনিক কোচের ব্যবহার করার কথা থাকলেও পুরনো কোচ ব্যবহার করা হয়েছিল। যার জেরে দুর্ঘটনা আরও প্রবল আকার নেয়। মনে করা হচ্ছে যদি, এলএইচবি কোচ ব্যবহার করা হত তাহলে এত বেশি ক্ষতি হত না। যাত্রীরাও এত বেশি আহত হতেন না বা মৃতের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেত না।

অন্যদিকে সিগন্যাল বা পয়েন্টের কোনও সমস্যা ছিলনা, দুর্ঘটনার পর প্রাথমিক ভাবে এমনটাই মনে করছেন রেল কর্তারা৷ দুর্ঘটনার ধরন দেখে রেল কর্তাদের প্রাথমিকভাবে অনুমান, সম্ভবত রেল লাইনে ফাটল বা অন্য কোনও ত্রুটি ছিল৷ ইঞ্জিন সহ প্রথম কয়েকটি কামরা বেরিয়ে যাওয়ার পরই সম্ভবত লাইনের ফাটল বেড়ে যায়৷ যার জেরেই বাকি বগিগুলি লাইনচ্যুত হয়ে যায়৷