রাজনীতির ছোঁয়া এবার মিষ্টিতেও! ভোটের বাজার গরম করতে নতুন চমক ‘খেলা হবে’ সন্দেশ!

রাজনীতির ছোঁয়া এবার মিষ্টিতেও! ভোটের বাজার গরম করতে নতুন চমক 'খেলা হবে' সন্দেশ! / নিজস্ব চিত্র
রাজনীতির ছোঁয়া এবার মিষ্টিতেও! ভোটের বাজার গরম করতে নতুন চমক 'খেলা হবে' সন্দেশ! / নিজস্ব চিত্র

‘খেলা হবে’! আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বেশ চর্চিত এই শব্দগুচ্ছ। ভোটের গরম বাজারে তৃণমূলের বিশেষ হাতিয়ার ‘খেলা হবে’ স্লোগান। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই গানও বাঁধা হয়ে গিয়েছে। তৃণমূলের প্রচারে এখন দিকে দিকে বাজছে সেই গান। এবার এই স্লোগান ঘিরেই বাজারে এল এক নতুন চমক! রাজনীতির ময়দান পেরিয়ে ‘খেলা হবে’ এখন হাজির মিষ্টি দোকানের শোকেসেও। আসন্ন নির্বাচনকে মাথায় রেখেই এবার বানানো হল ‘খেলা হবে’ মিষ্টি। ভোটের বাজারে ইদানীং যার চাহিদা প্রায় তুঙ্গে।

বর্ধমানের নেতাজী মিষ্টান্ন ভাণ্ডারে এখন ‘এক্সক্লুসিভলি’ মিলছে ‘খেলা হবে’ সন্দেশ। সিপিএম, তৃণমূল এবং বিজেপি নির্বিশেষে সব দলের সমর্থকরাই কিনছেন সেই সন্দেশ। দোকানের কর্ণধার সৌমেন দাসের কথায়, “আমরা দেখছি এবারের বিধানসভা নির্বাচনের লড়াই হচ্ছে মূলত তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে। তাই তৃণমূলের জোড়া ফুল আর বিজেপির প্রতীক পদ্মফুল মিষ্টি বানিয়েছি আমরা। দুটি মিষ্টির স্বাদও আলাদা। তাদের মাঝেই রয়েছে খেলা হবে মিষ্টি।” বোঝাই যাচ্ছে ভোটের আগে প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই নতুন এই চমক বাজারে এনেছেন সৌমেনবাবু।

জানা গিয়েছে, রাবরি ও নলেন গুড় এই দুয়ের মিশ্রণেই তৈরি হয়েছে ‘খেলা হবে’ সন্দেশ। দাম প্রতি পিস ১০ টাকা। একই সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের জোড়া ফুল মিষ্টি তৈরি করা হয়েছে রাবড়ি দিয়ে। দাম প্রতি পিস ১০ টাকা। বিজেপির পদ্মফুল মিষ্টি তৈরি খাঁটি নলেন গুড় দিয়ে। দাম অবশ্য তৃণমূল কংগ্রেসের জোড়া ফুল মিষ্টির থেকে বেশি। প্রতি পিস ১৫ টাকা। বাজারে আসা মাত্রই ক্রেতাদের মন জয় করে নিয়েছে এই তিন মিষ্টি। উত্তরোত্তর বাড়ছে চাহিদাও।

ইতিমধ্যেই জমে গিয়েছে নির্বাচনী লড়াই। সেই সঙ্গে ‘হিট’ নতুন তিন রাজনৈতিক মিষ্টিও। যদিও বর্ধমানের বাজারে এখনও অবধি বেশি চাহিদা তৃণমূল মিষ্টির। মিষ্টি ব্যবসায়ী সৌমেনবাবুর কথায়, “তৃণমূল ইতিমধ্যেই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিয়েছে কিন্তু বিজেপি এখনও এখানে প্রার্থী ঘোষণা করেনি। তাই জোড়াফুল মিষ্টির চাহিদাই বেশি এখানে।” এই প্রসঙ্গে বলা যেতেই পারে, আসন্ন নির্বাচনের আঁচে আপাতত ফুটছে গোটা রাজ্য। রেহাই পেল না বাঙালির শেষ পাতের মিষ্টিও। ফলে দিনে দিনে সাধারণ মানুষের কাছে আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে রাজনীতির কড়চা। কারণ, সারা রাজ্যেই এখন গরম ভোটের হাওয়া।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.